নিউ স্টার্ট
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নতুন চুক্তিতে রাজি পুতিন
যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার মধ্যে থাকা শেষ পরমাণু অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ চুক্তি ‘নিউ স্টার্ট’ আগামী ৫ ফেব্রুয়ারি শেষ হয়ে যাচ্ছে। তবে এর আগেই চুক্তি বাড়াতে রাজি হয়েছে রাশিয়া।
ইউক্রেন, গাজা ও ইরান ইস্যুসহ নানা বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার বিরোধ আন্তর্জাতিক মঞ্চে চোখে পড়ার মতো। শুধু রুশ তেল কেনায় ভারতের মতো দেশের ওপর অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ করতে পিছপা হয়নি ওয়াশিংটন।
তবে দু’দেশ আলোচিত ‘নিউ স্টার্ট’ চুক্তি নিয়ে বিরল সৌজন্যতা দেখা গেল এবার। ‘নিউ স্টার্ট’ চুক্তির মেয়াদ শেষ হচ্ছে ৫ ফেব্রুয়ারি, আর মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই তা এক বছর বাড়াতে রাজি হলো রাশিয়া।
শুধু তাই নয়, সোমবার রুশ নিরাপত্তা পরিষদের উপপ্রধান দিমিত্রি মেদভেদেভ জানিয়েছেন, এই চুক্তিকে দুদেশের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা গড়ার ভিত্তি।
সাবেক এই রুশ প্রেসিডেন্ট জানান, চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়া মানেই পারমাণবিক যুদ্ধের শুরুর ইঙ্গিত নয়। তবে তিনি বলেছেন, দ্রুত সময় ঘনিয়ে আসছে।
মেদভেদেভ বলেন, আমি বলতে চাই না যে চুক্তি মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ায় তাৎক্ষণিকভাবে কোনো বিপর্যয় ঘটবে বা পারমাণবিক যুদ্ধ শুরু হবে, তবে এটি সবাইকে সতর্ক করা উচিত। সময় এগিয়ে যাচ্ছে এবং স্পষ্টতই আমাদের উদ্যোগ নিতে হবে, যদি আমেরিকানরা চায় চুক্তির মেয়াদ বাড়াতে, তবে এটি সম্ভব।
মস্কো-ওয়াশিংটনের নিউ স্টার্ট চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ২০১০ সাল, যা কার্যকর হয় ২০১১ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি থেকে। মূল মেয়াদ ১০ বছর হলেও পরে চুক্তিটি বাড়ানো হয় ২০২৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।
গত বছরের সেপ্টেম্বর রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন জানিয়েছেন, চুক্তি মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও রাশিয়া এক বছর চুক্তির মূলসীমা মেনে চলবে। অন্যদিকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানুয়ারিতে জানিয়েছেন, চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়া নিয়ে তিনি উদ্বিগ্ন নন এবং দু’দেশের মধ্যে নতুন চুক্তিতে পৌঁছানোর আশা প্রকাশ করেছেন।
বিশ্বে সামরিক শক্তির দিক দিয়ে সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়া। দুই দেশের হাতে বিশ্বের প্রায় ৯০ শতাংশ পারমাণবিক অস্ত্র রয়েছে। যদিও যেকোনো মূল্যে পারমাণবিক শক্তিধর দেশগুলোর মধ্যে যুদ্ধ ঠেকানোর বিষয়ে জোর দিয়ে আসছে ওয়াশিংটন ও মস্কো।
ইউক্রেন, গাজা ও ইরান ইস্যুসহ নানা বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার বিরোধ আন্তর্জাতিক মঞ্চে চোখে পড়ার মতো। শুধু রুশ তেল কেনায় ভারতের মতো দেশের ওপর অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ করতে পিছপা হয়নি ওয়াশিংটন।
তবে দু’দেশ আলোচিত ‘নিউ স্টার্ট’ চুক্তি নিয়ে বিরল সৌজন্যতা দেখা গেল এবার। ‘নিউ স্টার্ট’ চুক্তির মেয়াদ শেষ হচ্ছে ৫ ফেব্রুয়ারি, আর মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই তা এক বছর বাড়াতে রাজি হলো রাশিয়া।
শুধু তাই নয়, সোমবার রুশ নিরাপত্তা পরিষদের উপপ্রধান দিমিত্রি মেদভেদেভ জানিয়েছেন, এই চুক্তিকে দুদেশের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা গড়ার ভিত্তি।
সাবেক এই রুশ প্রেসিডেন্ট জানান, চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়া মানেই পারমাণবিক যুদ্ধের শুরুর ইঙ্গিত নয়। তবে তিনি বলেছেন, দ্রুত সময় ঘনিয়ে আসছে।
মেদভেদেভ বলেন, আমি বলতে চাই না যে চুক্তি মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ায় তাৎক্ষণিকভাবে কোনো বিপর্যয় ঘটবে বা পারমাণবিক যুদ্ধ শুরু হবে, তবে এটি সবাইকে সতর্ক করা উচিত। সময় এগিয়ে যাচ্ছে এবং স্পষ্টতই আমাদের উদ্যোগ নিতে হবে, যদি আমেরিকানরা চায় চুক্তির মেয়াদ বাড়াতে, তবে এটি সম্ভব।
মস্কো-ওয়াশিংটনের নিউ স্টার্ট চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ২০১০ সাল, যা কার্যকর হয় ২০১১ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি থেকে। মূল মেয়াদ ১০ বছর হলেও পরে চুক্তিটি বাড়ানো হয় ২০২৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।
গত বছরের সেপ্টেম্বর রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন জানিয়েছেন, চুক্তি মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও রাশিয়া এক বছর চুক্তির মূলসীমা মেনে চলবে। অন্যদিকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানুয়ারিতে জানিয়েছেন, চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়া নিয়ে তিনি উদ্বিগ্ন নন এবং দু’দেশের মধ্যে নতুন চুক্তিতে পৌঁছানোর আশা প্রকাশ করেছেন।
বিশ্বে সামরিক শক্তির দিক দিয়ে সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়া। দুই দেশের হাতে বিশ্বের প্রায় ৯০ শতাংশ পারমাণবিক অস্ত্র রয়েছে। যদিও যেকোনো মূল্যে পারমাণবিক শক্তিধর দেশগুলোর মধ্যে যুদ্ধ ঠেকানোর বিষয়ে জোর দিয়ে আসছে ওয়াশিংটন ও মস্কো।