Search

Search

সিলেটে বিএনপির ৯ নেতাকর্মী বহিষ্কার

বিএনপির লোগো | সংগৃহীত
সিলেটে বিএনপির ৯ নেতাকর্মীকে বহিষ্কার করা হয়েছে। শনিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই বহিষ্কারাদেশের কথা জানানো হয়। এতে ৫ জন জকিগঞ্জ উপজেলা ও পৌর বিএনপির নেতা আর অপর ৪জন কানাইঘাটের বিভিন্ন ইউনিটের।

বহিষ্কৃতরা হলেন- জকিগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল হোসেন সেলিম, যুগ্ম সম্পাদক মাসুক আহমদ, সদস্য রিপন আহমদ, পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক হাসান আহমদ, কানাইঘাট উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি ওয়েছ আহমদ, সাংগঠনিক সম্পাদক খছরুজ্জামান পারভেজ, কোষাধ্যক্ষ আবুল বাশার, ২নং লক্ষ্মীপ্রসাদ পূর্ব ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম ও ৯নং রাজাগঞ্জ ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নুরুল হোসেন নিমার।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দলীয় নির্দেশনা অমান্য ও শৃঙ্খলা ভঙ্গের কারণে তাদের সব ধরনের দলীয় পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

এ বিষয়ে জকিগঞ্জ উপজেলা বিএনপির বহিষ্কৃত সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল হোসেন সেলিম বলেন, 'আমি জানিনা আমাকে কেন বহিষ্কার করা হলো। আমার দোষটা তো জানানো উচিত। গত ৩০ ডিসেম্বর নমিনেশন দাখিলের দিন থেকেই আমি কারো পক্ষে-বিপক্ষে কাজ করছি না। উল্টো জোট মনোনীত প্রার্থীর পক্ষে কাজ করছি। এটি ষড়যন্ত্র করে করা হয়েছে আমার বিপক্ষে।'

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি কাইয়ুম চৌধুরী। তিনি জানান, দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে তাদেরকে বহিষ্কার করা হয়েছে। জোটের প্রার্থীর সাথে না থাকা একটা বিষয়। তবে প্রধান কাজ হলো- সংগঠনের নির্দেশনা অমান্য করা।

তবে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বহিষ্কৃত নেতারা দলীয় নির্দেশনা অমান্য করে স্বতন্ত্র প্রার্থী ও বিএনপি থেকে বহিস্কৃত মামুনুর রশীদ মামুন- চাকসু মামুনের পক্ষে কাজ করছিলেন। বিষয়টি নিয়ে এখন জকিগঞ্জ-কানাইঘাটে তোলপাড় চলছে। বলাবলি হচ্ছে, কেবল এ ৯জনই নয়, আরও প্রচুর বিএনপি নেতা গোপনে চাকসু মামুনের জয় নিশ্চিতে কাজ করছেন।

সিলেট-৫ (জকিগঞ্জ-কানাইঘাট) আসনে সমঝোতার ভিত্তিতে বিএনপি জমিয়তের কেন্দ্রীয় সভাপতি মাওলনা উবায়দুল্লাহ ফারুককে সমর্থন জানিয়েছে। এ সিদ্ধান্তের বিরোধীতা করে চাকসু মামুন স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসাবে মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। এরপর বিএনপি তাকে দল থেকে বহিষ্কার করে।

সম্পর্কিত খবর :