ইস্তাম্বুলে বৈঠকে বসছেন মার্কিন ও ইরানি কর্মকর্তারা
তুরস্কের ইস্তাম্বুল শহরে শুক্রবার বৈঠক করবেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ ও ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। একজন মার্কিন কর্মকর্তা সোমবার এ তথ্য জানিয়েছেন।
বৈঠকে সম্ভাব্য পরমাণু চুক্তি ও অন্যান্য বিষয় নিয়ে আলোচনা হতে পারে। মার্কিন ওই কর্মকর্তা জানান, ট্রাম্প ইরানকে একটি চুক্তিতে পৌঁছানোর আহ্বান জানিয়ে আসছেন। ইরান কী বলতে চায়, বৈঠকে সেই কথা শুনবেন ট্রাম্পের বিশেষ দূত।
ইরানের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে জানিয়েছেন, আরাগচি ও উইটকফ শুক্রবার ইস্তাম্বুলে বৈঠক করবেন। জ্যেষ্ঠ একজন আঞ্চলিক কূটনীতিকের বরাতে রয়টার্স জানিয়েছে, শুক্রবারের ওই বৈঠকে আঞ্চলিক আরও কয়েকটি দেশের কর্মকর্তারা অংশ নিতে পারেন।
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে শুক্রবারের ওই বৈঠক নিয়ে প্রথম খবর প্রকাশ করে অ্যাক্সিওস।
মধ্যপ্রাচ্যের জলসীমায় মার্কিন সামরিক উপস্থিতি বৃদ্ধির পর এই অঞ্চলে উত্তেজনা বেড়েছে। এর আগে গেল ডিসেম্বরে ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভে ব্যাপক দমনপীড়ন চালায় কর্তৃপক্ষ।
এমতাবস্থায় ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দেন, ইরান যদি বিক্ষোভকারীদের ওপর দমনপীড়ন বন্ধ না করে, তাহলে প্রয়োজনে সামরিক হস্তক্ষেপ করবে ওয়াশিংটন। এরপরই মধ্যপ্রাচ্যের জলসীমায় বিশাল নৌবহর পাঠান ট্রাম্প। পাশাপাশি ইরানকে আলোচনার টেবিলে বসারও আহ্বান জানান মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
তবে ইরান জানায়, হুমকির মুখে কোনো আলোচনা হতে পারে না। বরং হামলা হলে পাল্টা জবাব দেওয়ারও ঘোষণা দেয় তেহরান।
বৈঠকে সম্ভাব্য পরমাণু চুক্তি ও অন্যান্য বিষয় নিয়ে আলোচনা হতে পারে। মার্কিন ওই কর্মকর্তা জানান, ট্রাম্প ইরানকে একটি চুক্তিতে পৌঁছানোর আহ্বান জানিয়ে আসছেন। ইরান কী বলতে চায়, বৈঠকে সেই কথা শুনবেন ট্রাম্পের বিশেষ দূত।
ইরানের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে জানিয়েছেন, আরাগচি ও উইটকফ শুক্রবার ইস্তাম্বুলে বৈঠক করবেন। জ্যেষ্ঠ একজন আঞ্চলিক কূটনীতিকের বরাতে রয়টার্স জানিয়েছে, শুক্রবারের ওই বৈঠকে আঞ্চলিক আরও কয়েকটি দেশের কর্মকর্তারা অংশ নিতে পারেন।
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে শুক্রবারের ওই বৈঠক নিয়ে প্রথম খবর প্রকাশ করে অ্যাক্সিওস।
মধ্যপ্রাচ্যের জলসীমায় মার্কিন সামরিক উপস্থিতি বৃদ্ধির পর এই অঞ্চলে উত্তেজনা বেড়েছে। এর আগে গেল ডিসেম্বরে ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভে ব্যাপক দমনপীড়ন চালায় কর্তৃপক্ষ।
এমতাবস্থায় ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দেন, ইরান যদি বিক্ষোভকারীদের ওপর দমনপীড়ন বন্ধ না করে, তাহলে প্রয়োজনে সামরিক হস্তক্ষেপ করবে ওয়াশিংটন। এরপরই মধ্যপ্রাচ্যের জলসীমায় বিশাল নৌবহর পাঠান ট্রাম্প। পাশাপাশি ইরানকে আলোচনার টেবিলে বসারও আহ্বান জানান মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
তবে ইরান জানায়, হুমকির মুখে কোনো আলোচনা হতে পারে না। বরং হামলা হলে পাল্টা জবাব দেওয়ারও ঘোষণা দেয় তেহরান।