খামেনি বিরোধী বিক্ষোভে সমর্থন ‘ক্ষুদ্ধ’ জেলেনস্কির
ইউক্রেন যুদ্ধে ইরানি ড্রোনের আঘাত শেলের মতো বিঁধেছে দেশটির প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির বুকে। আর তাই ইরানের সরকারবিরোধী বিক্ষোভকারীদের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন তিনি। সোমবার বিক্ষোভে সমর্থন জানিয়ে জেলেনস্কি টেলিগ্রামে এক পোস্ট দেন।
এতে তিনি লেখেন “আমাদের শহর ও গ্রাম, আমাদের জনগণের ওপর আঘাত হানা হাজার হাজার শাহেদ ড্রোনের একটিও ইউক্রেন ভুলবে না।” ইউক্রেনের ওপর হামলা চালাতে ঘন ঘন ব্যবহার হওয়া শাহেদ ড্রোনের কথা উল্লেখ করে এমন মন্তব্য করেন জেলেনস্কি। ইরানের নকশা করা এই ড্রোন, ইউক্রেন যুদ্ধে গেম চেঞ্জার হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে।
তেহরান ও মস্কো দীর্ঘ দিনের মিত্র। ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের অব্যাহত চাপের মুখে তা আরও একবার প্রমাণ করেছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। শুক্রবার তিনি ইরানের শীর্ষ নিরাপত্তা কর্মকর্তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। এরপরই জেলেনস্কি সোমবার এই মন্তব্য করলেন।
তিনি বলেন, “ইউক্রেন সেই সব জনগণের পাশে আছে যারা স্বাধীনতাকে মূল্য দেয় এবং এর জন্য সত্যিকার অর্থে লড়াই করতে প্রস্তুত। পুরো বিশ্ব দেখছে ইরানে কী ঘটছে—কত হত্যা হচ্ছে এবং কীভাবে ইরানি শাসনব্যবস্থা অঞ্চল ও বিশ্বজুড়ে যুদ্ধ ও সহিংসতা ছড়াতে ভূমিকা রেখেছে।”
ইরানে জীবনযাত্রার ব্যয় অস্বাভাবিক বেড়ে যাওয়ার পর গেল ২৮ ডিসেম্বর দেশটিতে শুরু হয় বিক্ষোভ। সেই বিক্ষোভে দ্রুতই সহিংস আকার ধারণ করে। পরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিক্ষোভকারীদের প্রতি সমর্থন প্রকাশ করেন। বলেন, প্রয়োজনে ইরানে সামরিক হস্তক্ষেপ করবেন তিনি।
এতে তিনি লেখেন “আমাদের শহর ও গ্রাম, আমাদের জনগণের ওপর আঘাত হানা হাজার হাজার শাহেদ ড্রোনের একটিও ইউক্রেন ভুলবে না।” ইউক্রেনের ওপর হামলা চালাতে ঘন ঘন ব্যবহার হওয়া শাহেদ ড্রোনের কথা উল্লেখ করে এমন মন্তব্য করেন জেলেনস্কি। ইরানের নকশা করা এই ড্রোন, ইউক্রেন যুদ্ধে গেম চেঞ্জার হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে।
তেহরান ও মস্কো দীর্ঘ দিনের মিত্র। ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের অব্যাহত চাপের মুখে তা আরও একবার প্রমাণ করেছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। শুক্রবার তিনি ইরানের শীর্ষ নিরাপত্তা কর্মকর্তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। এরপরই জেলেনস্কি সোমবার এই মন্তব্য করলেন।
তিনি বলেন, “ইউক্রেন সেই সব জনগণের পাশে আছে যারা স্বাধীনতাকে মূল্য দেয় এবং এর জন্য সত্যিকার অর্থে লড়াই করতে প্রস্তুত। পুরো বিশ্ব দেখছে ইরানে কী ঘটছে—কত হত্যা হচ্ছে এবং কীভাবে ইরানি শাসনব্যবস্থা অঞ্চল ও বিশ্বজুড়ে যুদ্ধ ও সহিংসতা ছড়াতে ভূমিকা রেখেছে।”
ইরানে জীবনযাত্রার ব্যয় অস্বাভাবিক বেড়ে যাওয়ার পর গেল ২৮ ডিসেম্বর দেশটিতে শুরু হয় বিক্ষোভ। সেই বিক্ষোভে দ্রুতই সহিংস আকার ধারণ করে। পরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিক্ষোভকারীদের প্রতি সমর্থন প্রকাশ করেন। বলেন, প্রয়োজনে ইরানে সামরিক হস্তক্ষেপ করবেন তিনি।