Search

Search

ভোলায় বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষ, আহত ১১

ছবি: স্টার নিউজ
ভোলার বোরহানউদ্দিনে নির্বাচনী গণসংযোগকালে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে হট্টগোল ও মারামারির ঘটনা ঘটেছে। এতে দুই দলের অন্তত ১০ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

শনিবার (৩১ জানুয়ারি) সকালে উপজেলার টবগী ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডে মনিরাম বাজারের পাশে এ ঘটনা ঘটে।

আহতদের মধ্যে পাঁচজনকে বোরহানউদ্দিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়। ঘটনার জন্য জামায়াত ও বিএনপি একে অপরকে দায়ী করে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ করেছে।

জামায়াতে ইসলামী প্রার্থীর মিডিয়া সেলের প্রধান নুরুল করিম জানান, দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের নির্বাচনী প্রচারণার সময় বিএনপির কর্মীরা বাধা দেয় এবং লাঠিসোটা নিয়ে তাদের ওপর হামলা চালায়। এতে তাদের সাতজন কর্মী আহত হয়েছেন।

আহতরা হলেন- ফয়জুল্লাহ, ইমন, আব্দুল হালিম, শাহে আলম, রায়হান, শামীম ও তানজিল। এ ঘটনায় টবগী ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামী তাৎক্ষণিক প্রতিবাদ মিছিল করেছে।

এদিকে, বোরহানউদ্দিনে জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের ওপর একাধিক হামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর বোরহানউদ্দিন উপজেলা শাখা। বোরহানউদ্দিন উপজেলা জামায়াত কার্যালয়ে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

সংবাদ সম্মেলনে উপজেলা প্রচার সেক্রেটারি মো. আমান উল্লাহর সাক্ষরিত লিখিত বক্তব্যে জানানো হয়, আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচারণাকালে বোরহানউদ্দিন ও দৌলতখানসহ ভোলা-২ আসনের বিভিন্ন এলাকায় জামায়াতের নেতাকর্মীদের ওপর পরিকল্পিত ও ধারাবাহিকভাবে হামলা চালানো হচ্ছে। বিশেষ করে শনিবার সকাল ৮টার দিকে টবগী ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের চৌকিদার বাড়ি এলাকায় জামায়াতের নির্বাচনী প্রতীক ‘দাঁড়িপাল্লা’র প্রচারণাকালে বিএনপি কর্মীদের দ্বারা অতর্কিত হামলার অভিযোগ করা হয়।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে পাল্টা অভিযোগ করেছে বিএনপি। উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সরোয়ার আলম খান জানান, সকাল ৭টায় জামায়াতের কিছু কর্মী বিএনপি কর্মীর বাড়িতে প্রচারণায় যান। এ সময় বাড়ির এক নারী গোসল করছিলেন। সাতসকালে প্রচারণায় যাওয়াকে কেন্দ্র করে উভয়পক্ষের কর্মীদের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়। এর জেরে স্থানীয় বাজারে বিএনপি কর্মীদের সঙ্গে জামায়াত কর্মীদের হাতাহাতি হয়। এতে তাদের ৪-৫ জন আহত হয়েছেন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পরিস্থিতি শান্ত করার পর জামায়াতের লোকজন জড়ো হয়ে এলাকায় মহড়া দেয়।

বোরহানউদ্দিন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, গণসংযোগকালে দুইপক্ষের মধ্যে হাতাহাতি হয়েছে। খবর পেয়ে পুলিশ ও নৌবাহিনীর সদস্যরা গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে। কোনো অভিযোগ থাকলে সহকারী রিটার্নিং অফিসারকে জানানোর জন্য বলা হয়েছে।

সম্পর্কিত খবর :