নোয়াখালীতে সিএনজি-পিকআপের মুখোমুখি সংঘর্ষ, শিশুর মৃত্যু
নোয়াখালীর সদর উপজেলায় মালবাহী পিকআপ গাড়ির ধাক্কায় সিএনজি চালিত অটোরিকশায় থাকা সিফাত নামের দুই বছরের এক শিশু নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় সিএনজি চালকসহ আরও চারজন আহত হয়েছেন।
শনিবার (১৭ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় সদর উপজেলার বিনোদপুর ইউনিয়নের আনন্দ পুকুর পাড় এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত শিশু মো. সিফাত পাশ্ববর্তী নোয়ান্নই উপজেলার রতনপুর গ্রামের বাসিন্দা মো. রাসেল ও কুলসুম দম্পতির ছেলে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মাইজদী থেকে চিকিৎসক দেখিয়ে সিএনজিতে করে বাড়ি ফিরছিল সিফাতের পরিবার। আনন্দ পুকুর পাড় এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা প্রাণ কোম্পানির একটি মালবাহী পিকআপ সিএনজিটিকে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে শিশুটি ঘটনাস্থলেই মারা যায়।
দুর্ঘটনায় আহত সিএনজি চালকসহ চারজনকে উদ্ধার করে নোয়াখালী ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহতদের নাম-পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
এ বিষয়ে স্থানীয় বাসিন্দা মো. রাসেল বলেন, 'বেপরোয়া গতিতে আসা প্রাণ কোম্পানীর মালবাহী পিকআপের ধাক্কায় সিএনজিতে থাকা শিশুর মাথার মগজ বের হয়ে যায়। দুর্ঘটনার পর এলাকায় কিছু সময়ের জন্য আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে'।
সুধারাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম বলেন, 'ঘটনার পর পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়েছে। মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রয়েছে। আহতরা চিকিৎসা নিচ্ছেন। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে'।
শনিবার (১৭ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় সদর উপজেলার বিনোদপুর ইউনিয়নের আনন্দ পুকুর পাড় এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত শিশু মো. সিফাত পাশ্ববর্তী নোয়ান্নই উপজেলার রতনপুর গ্রামের বাসিন্দা মো. রাসেল ও কুলসুম দম্পতির ছেলে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মাইজদী থেকে চিকিৎসক দেখিয়ে সিএনজিতে করে বাড়ি ফিরছিল সিফাতের পরিবার। আনন্দ পুকুর পাড় এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা প্রাণ কোম্পানির একটি মালবাহী পিকআপ সিএনজিটিকে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে শিশুটি ঘটনাস্থলেই মারা যায়।
দুর্ঘটনায় আহত সিএনজি চালকসহ চারজনকে উদ্ধার করে নোয়াখালী ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহতদের নাম-পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
এ বিষয়ে স্থানীয় বাসিন্দা মো. রাসেল বলেন, 'বেপরোয়া গতিতে আসা প্রাণ কোম্পানীর মালবাহী পিকআপের ধাক্কায় সিএনজিতে থাকা শিশুর মাথার মগজ বের হয়ে যায়। দুর্ঘটনার পর এলাকায় কিছু সময়ের জন্য আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে'।
সুধারাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম বলেন, 'ঘটনার পর পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়েছে। মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রয়েছে। আহতরা চিকিৎসা নিচ্ছেন। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে'।