Search

Search

এনায়েত উল্লাহকে হত্যাচেষ্টার ঘটনায় জামায়াতের নিন্দা

ছবি: সংগৃহীত
ঢাকা-৭ আসনে জামায়াত মনোনীত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী হাজী হাফেজ এনায়েত উল্লাহকে হত্যা চেষ্টার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানোর পাশাপাশি উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) রাতে এ ঘটনা ঘটে

শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) দুপুরে গণমাধ্যমে পাঠানো বিবৃতিতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের নায়েবে আমীর আব্দুস সবুর ফকির উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
তিনি বলেন, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার করে সন্ত্রাসীদের আইনের আওতায় নিতে জামায়াতে ইসলামী বারবার দাবি জানিয়ে আসছিল। কিন্তু সরকার সেই দিকে কর্ণপাত করেনি। তফসিল ঘোষণার ঠিক একদিন পরে আধিপাত্যবাদ বিরোধী জুলাই যোদ্ধা (ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী) ওসমান হাদিকে হত্যা করা হলেও সেই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের আটক করে আজও বিচার নিশ্চিত না হওয়ায় সন্ত্রাসীরা ফ্যাসিবাদ বিরোধী ও নির্বাচনের প্রার্থীদের টার্গেট করছে। দুটি শক্তি জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট বানচাল করতে গোপন আঁতাত করে ষড়যন্ত্র করছে।

আব্দুস সবুর ফকির অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, একটি অবাধ সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ, বিশ্বাসযোগ্য ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের জন্য অনতিবিলম্বে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অবলম্বন করে যৌথ বাহিনী দিয়ে অভিযান চালিয়ে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার করে সন্ত্রাসীদের আইনের আওতায় নিতে হবে। নতুবা জাতির প্রত্যাশিত নির্বাচন সম্পন্ন করা যাবে না।

সব দল ও প্রার্থীর জন্য সমান সুযোগ-সুবিধা লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিতের পাশাপাশি সব প্রার্থীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, কোনো প্রহসনের নির্বাচন বা ইঞ্জিনিয়ারিং ইলেকশন জাতি মেনে নেবে না, হতে দেবে না। জাতির আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন না ঘটলে আবারও জুলাই ফিরে আসতে পারে বলেও তিনি হুশিয়ার করেন।

হাজী হাফেজ এনায়েত উল্লাহ জানান, ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দের সঙ্গে তার নির্বাচনী সমাবেশে আওয়ামী লীগের লোগো সম্বলিত গেঞ্জি পরিহিত একজনসহ সন্দেহভাজন ৩ জন ঘোরাঘুরি করছে। পরবর্তীতে তার দেহরক্ষীরা সন্দেহভাজন ৩ জনের মধ্যে ২ জনকে আটক করে।

এসময় তাদের কাছে ধারালো অস্ত্র পাওয়া যায়। সন্দেহভাজন অপরজন পিস্তলসহ পালিয়ে যায়। আটক ২ জনকে তার দেহরক্ষীরা পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে।

সম্পর্কিত খবর :