যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে উত্তেজনার মধ্যে তুরস্ক গেলেন ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী
একের পর এক হুমকি দিয়ে যাচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইরানে সম্ভাব্য হামলার জন্য মধ্যপ্রাচ্যের জলসীমায় পাঠিয়েছেন নৌবহরও। এমতাবস্থায় মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনার পারদ যখন তুঙ্গে ঠিক তখন ওয়াশিংটনের অন্যতম মিত্র রাষ্ট্র তুরস্ক সফরে গেলেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। একদিনের ওই সফরেদুই দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ে বৈঠক হবে।
ইরানের সঙ্গে তুরস্কের ৫৩৭ কিলোমিটারের সীমান্ত রয়েছে। আঙ্কারা বলছে, প্রতিবেশী দেশের ওপর কোনো বিদেশি হস্তক্ষেপের সমর্থন করে না তারা। পারমাণবিক ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রকে সংলাপ শুরুর আহ্বানও জানান তুর্কি পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান।
তিনি বলেন, ইরানের ওপর আক্রমণ করা ভুল। আবার যুদ্ধ শুরু করা আরও ভুল। ইরান আবার পারমাণবিক ইস্যু নিয়ে আলোচনায় বসতে প্রস্তুত। আমেরিকান বন্ধুদের জন্য আমার পরামর্শ—ইরানের সঙ্গে চলমান সব সমস্যা এক এক করে সমাধান করুন। প্রথমে পারমাণবিক ইস্যুতে আলোচনা শুরু করুন এবং তা সমাধান করুন। তারপর অন্যান্য বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা চালিয়ে যান।
এদিকে বার্তাসংস্থা এএফপি জানিয়েছে, আরাগচির সফরে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের উত্তেজনায় মধ্যস্থতার প্রস্তাব দিবে তুরস্ক। একইসঙ্গে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির শান্তিপূর্ণ সমাধান খুঁজে পেতে সহায়তার প্রস্তাবও তুলে ধরা হবে।
গত বুধবার ট্রাম্প ইরানকে হুঁশিয়ার করে বলেছেন, তেহরান যেন পারমাণবিক অস্ত্র ইস্যুতে আলোচনায় বসে চুক্তি করে। অন্যথায় যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য পরবর্তী হামলা আরও ভয়াবহ হবে।
তবে হুমকির মুখে কোনো সংলাপ বা চুক্তি হতে পারে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছে তেহরান। অন্যদিকে রয়টার্স জানিয়েছে, নতুন করে ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ উসকে দিতে হামলার বিকল্প বিবেচনা করছেন ট্রাম্প।