Search

Search

স্বতন্ত্র প্রার্থীর পক্ষে প্রচার

নোয়াখালীতে বিএনপির ১৮ নেতা বহিষ্কার

ছবি: সংগৃহীত
নোয়াখালী-২ (সেনবাগ ও সোনাইমুড়ীর আংশিক) আসনে দলীয় সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে গিয়ে স্বতন্ত্র (বিদ্রোহী) প্রার্থী কাজী মফিজুর রহমানের পক্ষে নির্বাচনী কর্মকাণ্ড পরিচালনার অভিযোগে উপজেলা বিএনপির ১৮ নেতাকর্মীকে বহিষ্কার করা হয়েছে। বহিষ্কৃতদের মধ্যে সেনবাগ উপজেলা বিএনপির যুগ্ম-আহ্বায়ক জাহাঙ্গীর হোসেন চৌধুরী ও ড. নজরুল ইসলাম ফারুকও রয়েছেন।

বুধবার (২৮ জানুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মাহবুব আলমগীর আলো। এর আগে, গত মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।

বহিষ্কৃতরা হলেন- বিএনপি নেতা অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত উল্যাহ লিটন, মমিন উল্যাহ চেয়ারম্যান, মির্জা মো. সোলাইমান, মোয়াজ্জেম হোসেন সেলিম, গোলাম হোসেন খন্দকার, উপজেলা বিএনপির সদস্য ওবায়দুল হক চেয়ারম্যান, আবুল কালাম আজাদ, নুরুজ্জামান চৌধুরী, আবু জাহের চৌধুরী জাফর, শাহেদুল করিম মারুফ, মাস্টার দলিলুর রহমান, সেনবাগ পৌর বিএনপির যুগ্ম-আহ্বায়ক কামাল উদ্দিন বাবলু, রেজাউল হক হেলাল, তাজুল ইসলাম রতন, পৌর বিএনপির সদস্য মহিউদ্দিন কমিশনার ও শহীদ উল্যাহ হেলাল।

সেনবাগ উপজেলা বিএনপির বহিষ্কৃত যুগ্ম-আহ্বায়ক জাহাঙ্গীর হোসেন চৌধুরী বলেন, ‘আমরা দলের বিপক্ষে নই, আমরা প্রার্থীর বিপক্ষে। বিএনপির বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী কাজী মফিজ দুঃসময়ে দলের নেতাকর্মীদের পাশে ছিলেন। আমরা বর্তমানে তার সাথেই রয়েছি। দল আগে আমাদের প্রার্থীকে বহিষ্কার করেছে। এখন আমাদের বহিষ্কারের কথা শুনছি, তবে এখনও কোনো লিখিত কাগজ পাইনি।’

নোয়াখালী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মাহবুব আলমগীর আলো এ বিষয়ে বলেন, ‘দলীয় প্রার্থীর পক্ষে কাজ না করায় কেন্দ্র থেকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানতে পেরেছি।’

সম্পর্কিত খবর :