Search

Search

অধ্যক্ষকে অবরুদ্ধ করে পদত্যাগপত্রে সই করালেন শিক্ষার্থীরা

সকাল সাড়ে ১০টা থেকে বিকেল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত ৫ ঘণ্টা অবরুদ্ধ থাকেন নড়াইল নার্সিং কলেজের অধ্যক্ষ আফরোজা খাতুন | ছবি: স্টার নিউজ
নড়াইল নার্সিং কলেজের অধ্যক্ষ আফরোজা খাতুনকে অবরুদ্ধ করে পদত্যাগ পত্রে সই করানোর অভিযোগ উঠেছে শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে। এ সময় খারাপ আচরণ, বিভিন্ন খাতে অতিরিক্ত টাকা গ্রহণ, সরকারী বরাদ্দ আত্মসাতসহ নানা অভিযোগ তুলে ধরেন শিক্ষার্থীরা।

বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টা থেকে বিকেল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত ৫ ঘণ্টা অবরুদ্ধ থাকেন ওই অধ্যক্ষ। পরে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাসের পর মুক্ত হন অধ্যক্ষ আফরোজা খাতুন।

নড়াইল নার্সিং কলেজের তৃতীয় বর্ষের ছাত্র অন্তিমিরা বিশ্বাস জানান, আফরোজা খাতুন নড়াইল নার্সিং কলেজের অধ্যক্ষ (চলতি দায়িত্ব) হিসেবে ২০২২ সালের ২৬ নভেম্বর যোগদান করেন। নতুন এই কলেজটিতে যোগদানের পর থেকে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে খারাপ আচরণ, বিভিন্ন খাতে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অর্থ আদায়, হুমকিসহ নানা ধরণের অভিযোগ ওঠে তার বিরুদ্ধে।

তিনি বলেন, ‘অধিকাংশ শিক্ষার্থী জেলার বাইরের হওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে তারা মুখ বুজে সহ্য করে আসছেন। এক পর্যায়ে নিরুপায় হয়ে তারা প্রতিবাদমুখর হয়ে ওঠেন এবং বৃহস্পতিবার সকালে অধ্যক্ষ আফরোজা খাতুনসহ আরও একজন শিক্ষককে কয়েক ঘণ্টা অবরুদ্ধে করে রাখেন। এক পর্যায়ে তাদের পদত্যাগপত্রে সই করান।’

প্রথমবর্ষের ছাত্র মো. সাজিদুর রহমান জিহাদ জানান, শিক্ষার্থীদের হিসাবমতে তাদের বাড়ি থেকে পাঠানো বাবা মায়ের কষ্টার্জিত অর্থ দিয়ে তাদেরই চলতে কষ্ট হয়। সরকারী বরাদ্দ পাওয়ার পরও অধ্যক্ষ তাদের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করে থাকেন। তাদের কাছ থেকে অনৈতিকভাবে নেওয়া সাড়ে চার লাখ টাকা ফেরত দেওয়ার দাবি জানান।

অবরুদ্ধ অধ্যক্ষ আফরোজা খাতুন দাবি করেন, বরাদ্দ না আসায় বিভিন্ন খাতের টাকা দিয়ে কলেজের কার্যক্রম পরিচালনা করতে হয়। শিক্ষার্থীরা যে অভিযোগ করেছে তা সঠিক নয়।

তিনি জানান, শিক্ষার্থীরা তার সঙ্গে যে ধরণের আচরণ করেছে, তা কখনো কাম্য নয়। শিক্ষার্থীদের চাপে তিনি পদত্যাগপত্রে সই করেছেন। এছাড়াও রোকসানা নামে আরও একজন শিক্ষককে পদত্যাগপত্রে সই করিয়েছে শিক্ষার্থীরা।

সম্পর্কিত খবর :