Search

Search

বিমানের এমডি ও তার স্ত্রীসহ চারজনকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ

সংগৃহীত
শিশু গৃহকর্মী নির্যাতনের ঘটনায় করা মামলায় গ্রেপ্তার বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) শফিকুর রহমান ওরফে সাফিকুর রহমান ও তার স্ত্রী বিথীসহ ৪ জনকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।
‎সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রাজু আহমেদের আদালত এ আদেশ দেন।

‎কারাগারে যাওয়া অপর দুই আসামি হলেন-শফিকুর রহমানের বাসার দুই গৃহকর্মী রুপালী খাতুন এবং মোছা. সুফিয়া বেগম।
‎এর আগে, ‎গত রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাতে উত্তরা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করে উত্তর পশ্চিম থানার পুলিশ।
এ দিন, ‎মামলাটির তদন্ত কর্মকর্তা উত্তরা পশ্চিম থানার উপপরিদর্শক রোমের মিয়া আসামিদের আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন।

‎আসামিদের পক্ষে আইনজীবী জাকির হোসেন তাদের জামিন চেয়ে আবেদন করেন। ‎রাষ্ট্রপক্ষে প্রসিকিউটর তাহমিনা আক্তার জামিনের বিরোধিতা করেন। উভয় পক্ষের শুনানি নিয়ে আদালত জামিন আবেদন নাকচ করে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
‎মামলায় অভিযোগে বলা হয়, রাজধানীর উত্তরা ৯ নম্বর সেক্টরের ‎শফিকুর রহমানের বাসার নিরাপত্তাকর্মী জাহাঙ্গীর গোলাম মোস্তফাকে জানায় ওই বাসায় বাচ্চা দেখাশোনার জন্য ছোট মেয়ে খুঁজছে। পরে তাদের সঙ্গে দেখা করেন ভিকটিমের বাবা। তারা জানায়, যাকে রাখবে বিবাহসহ যাবতীয় খরচ বহন করবে। তাতে সম্মত হয়ে গত বছরের জুন মাসে ভিকটিমকে ওই বাসায় কাজে দেন তার বাবা। সর্বশেষ গত বছরের ২ নভেম্বর ওই বাসায় ভিকটিমকে সুস্থ অবস্থায় দেখে আসেন তার বাবা। তবে এরপর আর শিশুটিকে পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে দেয়নি আসামিরা। গত ৩১ জানুয়ারি বীথী ভুক্তভোগীর বাবাকে ফোন করে জানান, শিশুটি অসুস্থ। তাকে নিয়ে যেতে। পরে তার বাবা আনতে গিয়ে দেখতে পান মেয়ের দুই হাতসহ শরীরের বিভিন্নস্থান গুরুতর জখম। সে ভালোভাবে কথাও বলতে পারে না। সাথীকে এর কারণ জিজ্ঞাসা করলে সদুত্তর দিতে পারে না। পরে জিজ্ঞাসাবাদে শিশুটি জানায়, গত ২ নভেম্বর থেকে বিভিন্ন সময়ে অকারণে শফিকুর রহমান এবং বিথীসহ অজ্ঞাতনামা আসামিরা তাকে মারপিটসহ খুন্তি আগুনে গরম করে তার শরীরের বিভিন্নস্থানে ছেঁকা দিয়ে গুরুতর জখম করে।

ওই ঘটনায় ভিকটিমের বাবা উত্তর পশ্চিম থানায় নির্যাতনের অভিযোগে মামলাটি দায়ের করেন।

সম্পর্কিত খবর :