কেউ কেউ বসন্তের কোকিল হয়ে এসে বলে ‘কুহু কুহু’: জামায়াত আমীর
জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘কেউ কেউ বসন্তের কোকিল হয়ে এসে বলে “কুহু কুহু”, আমরা এসব চাই না।’
শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচারণার অংশ হিসেবে পঞ্চগড়ের চিনিকল মাঠে আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘ষড়যন্ত্র করে এখানকার মানুষদের বঞ্চিত করা হয়েছে। এতদিন যারা চুরি করেছে, তাদের পেটের ভেতর থেকে টাকা বের করে উন্নয়ন করবো। উত্তরাঞ্চলের মানুষের উন্নয়ন করে চেহারা পালটে দিব।’
তিনি বলেন, ‘প্রতিটি নাগরিককে দেশ গড়ার কারিগর হিসেবে তৈরি করতে চাই।’
জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘বক্তব্য নয়, ইতিহাসের সাক্ষী হতে এসেছি। সৎ মায়ের সন্তানের মত উত্তরবঙ্গের মানুষদের সঙ্গে আচরণ করা হয়েছে। এই অঞ্চলের মানুষদের পিছিয়ে রাখা হয়েছে। কাউকে আর বেকার দেখতে চাই না।’
তিনি বলেন, ‘এতদিন টেকনাফ থেকে তেতুলিয়া হয়েছে, এখন বলতে হবে তেতুলিয়া থেকে টেকনাফ।’
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘উত্তরবঙ্গকে ইচ্ছা করেই গরীব ও পিছিয়ে রাখা হয়েছে। সামনের দিনে উত্তরবঙ্গকে আর গরীব দেখতে চাই না। কৃষি খাতকে গুরুত্ব দিয়ে উত্তরবঙ্গকে এগিয়ে নিতে হবে। কৃষি ভিত্তিক শিল্পকে এগিয়ে নেওয়া হবে। বন্ধ হওয়া চিনিকল চালু করা হবে।’
তিনি বলেন, ‘আমাদের কাছে কোন কার্ড নেই; দেশের মানুষ আমাদের কার্ড। দেশের মানুষের ভালোবাসা নিয়ে দেশকে এগিয়ে নিতে চাই। দেশের মানুষের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে, নারী-পুরুষ সকলের হাতকে শক্তিশালী করা হবে। আগামীতে কাউকে আর চুরি করতে দেওয়া হবে না।’
তিনি আরও বলেন, ‘কেউ ভোট ডাকাতি করতে এলে তাকে সম্মিলিতভাবে রুখে দিতে হবে। ১২ তারিখ পর্যন্ত সকলকে এক হয়ে লড়াই করার আহ্বান করছি। বিজয় নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত মাঠে থাকতে হবে।’
জামায়াত আমীর বলেন, ‘একটি দল ৫ বছর পরপর একবার দেখা দেয়; বসন্তে এসে কুহু কুহু করে। অনেকের মতো দেশের মানুষকে ফেলে পালিয়ে যাবো না। আমৃত্যু দেশের মানুষের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি।’