Search

Search

এক্সক্লুসিভ ও ব্রেকিং খবর পেতে আপনার মোবাইল নম্বরটি দিন

স্টার পরিবারে আপনাকে স্বাগতম। নিশ্চিন্ত থাকুন, আমরা স্প্যাম করি না।

চাষী নজরুল ইসলামকে হারানোর ১১ বছর

চাষী নজরুল ইসলাম | সংগৃহীত
চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি তিনি, বদলে দিয়েছেন বাংলা সিনেমার বাঁক। মুক্তিযুদ্ধ থেকে গ্রামীণ আবহ, সবকিছুকেই সমৃদ্ধ করেছেন লাইট ক্যামেরা অ্যাাকশনের জাদুতে। প্রখ্যাত সেই নির্মাতা চাষী নজরুল ইসলামের চলে যাওয়ার ১১ বছর আজ।

সালটা ১৯৪১, বিক্রমপুরের শ্রীনগরের সমষপুর গ্রামে জন্ম হয় এক শিশুর, শেরেবাংলা এ. কে. ফজলুল হক শিশুটির নাম রাখেন চাষী নজরুল ইসলাম। যে নামই একদিন হয়ে ওঠে বাংলা চলচ্চিত্রের ইতিহাস।

বাবার অকাল মৃত্যুতে কাঁধে পড়ে পরিবারের দায়িত্ব। চাকরি করেন এজি অফিসে, তখনই মনের ভেতর জন্ম নেয় সিনেমার স্বপ্ন। ১৯৬১ সালে পরিচালক ফতেহ লোহানীর হাত ধরে চলচ্চিত্রে পথচলা। প্রথমে অভিনেতা, তারপর সহকারী পরিচালক হিসেবে কাজ করেন ‘আছিয়া’ও ‘দুই দিগন্ত সিনেমায়।

৭১ এর স্বাধীনতা যুদ্ধের পর প্রথম সাহস করে ক্যামেরা হাতে নেন চাষী নজরুল ইসলাম। ১৯৭২ সালে মুক্তি পায় বাংলাদেশের প্রথম মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘ওরা ১১ জন’।

দেশের চলচ্চিত্র অঙ্গনে প্রেম, সাহিত্য, আর ট্র্যাজেডি গল্পেও তিনি ছিলেন অনন্য। ‘দেবদাস’ ‘চন্দ্রনাথ’ ‘শুভদা’র মত বাংলা সাহিত্যের চরিত্রগুলো পায় নতুন প্রাণ। ‘পদ্মা মেঘনা যমুনা’য় তুলে ধরেন বাংলার মাটি,আর মানুষের জীবন। লোকসংগীতের কিংবদন্তিকে নিয়ে করেছেন ‘হাছন রাজা’

মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম দৃশ্যপট উঠে আসে ‘হাঙর নদী গ্রেনেডে’। এই সিনেমার স্বীকৃতিতে পেয়েছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার। পেয়েছেন জহির রায়হান স্বর্ণপদক, শের-ই-বাংলা স্মৃতি পুরস্কার, এবং ২০০৪ সালের একুশে পদক।

মুক্তিযুদ্ধ, মানবতা আর মানুষের কথা ক্যামেরায় বন্দি করা চাষী নজরুল ইসলাম ২০১৫ সালের ১১ জানুয়ারি ৭৩ বছর বয়সে না ফেরার দেশে পাড়ি জমান। আজ সেই কিংবদন্তির চলে যাওয়ার ১১ বছর।

সম্পর্কিত খবর :