Search

Search

অস্ত্র কেনা ও মজুদ নিয়ে বিএনপি নেতাকর্মীদের আলোচনার ভিডিও ভাইরাল

বজলুর রহমান ও তার অনুসারীদের খাবার টেবিলে অবৈধ অস্ত্র কেনা ও মজুদ নিয়ে আলোচনা-কালে | সংগৃহীত
নির্বাচন সামনে রেখে অবৈধ অস্ত্র কেনা ও মজুদ নিয়ে সোনারগাঁয়ের বিএনপি নেতাকর্মীদের আলোচনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর থেকে নারায়ণগঞ্জ জেলা জুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ভিডিওতে সোনারগাঁ উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি বজলুর রহমানসহ তার অনুসারীদের খাবার টেবিলে এসব আলোচনা করতেদেখা যায়।

ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, বজলুর রহমান নামের বিএনপির ওই নেতা তার কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে একটি স্থানীয় রেস্টুরেন্টে খাবার খাচ্ছিলেন। খাওয়া-দাওয়ার এক পর্যায়ে তার সঙ্গে থাকা ব্যক্তিদের মধ্যে একজননির্বাচন সামনে রেখে সোনারগাঁ এলাকায় প্রচুর অবৈধ অস্ত্র মজুদ করা হচ্ছে বলে মন্তব্য করেন।

একই ভিডিওতে বজলুর রহমানের পাশে বসা আরেক জনকে বজলুর কানে কানে বলতে শোনা যায়, নির্বাচনের জন্য আমাদের আরও দুটি অস্ত্র দরকার। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিনের সমর্থক হিসেবে তিনি পরিচিত।

ছড়িয়ে পড়া ভিডিও এবং অভিযোগের বিষয়ে জানতে বজলুর রহমানের সঙ্গে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। পাশাপাশি ক্ষুদে বার্তা দিয়েও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।

তবে নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিনের দাবি, ভিডিওতে থাকা বজলুর রহমান বিএনপি প্রার্থী মান্নানের এক নম্বর লোক। সে সারাক্ষণ তার সঙ্গে থাকে এবং তার কমিটির পদে রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ‘আমার নামে যেটা বলা হচ্ছে সেটা অপপ্রচার। এটা একেবারে মিথ্যা কথা। শুরুতেই আমাকে নিয়ে মিথ্যা বলা শুরু করা হয়েছে।’

নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক মাসুকুল ইসলাম রাজিব বলেন, ‘ভিডিওটি আমার নজরে আসেনি। অস্ত্র কেনা বা মজুদ নিয়ে এমন কিছু হলে অবশ্যই দলীয়ভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

সোনারগাঁ থানার ওসি মহিববুল্লাহ জানান, ‘অস্ত্র নিয়ে আলাপ-চারিতার ভিডিওতে সম্পর্কে আমরা অবগত। আমরা এটা নিয়ে কাজ করছি। ইতোমধ্যে এটি নিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সকল ইউনিট কাজ করে যাচ্ছে।’

র‌্যাব-১১ এর অধিনায়ক (সিও) লেফটেন্যান্ট কর্নেল এইচএম সাজ্জাদ হোসেন জানান, ‘ভিডিও সম্পর্ক অবগত আছি। এটি নিয়ে আমাদের কাজ চলমান রয়েছে।’

নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ মিজানুর রহমান মুন্সী বলেছেন, ‘ভিডিওটি সম্পর্কে অবগত নই। বিষয়টি নিয়ে খোঁজ নেওয়া হচ্ছে।’

সম্পর্কিত খবর :