Search

Search

এক্সক্লুসিভ ও ব্রেকিং খবর পেতে আপনার মোবাইল নম্বরটি দিন

স্টার পরিবারে আপনাকে স্বাগতম। নিশ্চিন্ত থাকুন, আমরা স্প্যাম করি না।

নোয়াখালীর ৬টি আসনে ১৫ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল

দিনভর মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে সন্ধ্যায় জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম জেলা প্রশাসকের সভাকক্ষে এ ঘোষণা করেন | সংগৃহীত
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে নোয়াখালীর ছয়টি সংসদীয় আসনে ৬২ জন প্রার্থীর মধ্যে ৪৭ জন বৈধ এবং ১৫ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করেছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা।

শনিবার (৩ জানুয়ারি) দিনভর মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে সন্ধ্যায় জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম জেলা প্রশাসকের সভাকক্ষে এ ঘোষণা করেন।

নোয়াখালী-১ আসনে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন ও জামায়াতে ইসলামী মনোনীত মো. ছাইফ উল্যাহসহ সাতজন প্রার্থীর মনোনয়নপত্রবৈধ ঘোষণা করেছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা। এছাড়াও স্বতন্ত্র একজনের মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করেছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা।

নোয়াখালী—২ আসনে বিএনপির জয়নাল আবেদীন ফারুক ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত সাইয়েদ আহমদ, জাতীয় পার্টির মো. শাহাদাত হোসেন, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মো. তোফাজ্জল হোসেন, ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশের খলিলুর রহমান, এনসিপির সুলতান মুহাম্মদ জাকারিয়া মজুমদার ও কাজী মোহাম্মদ মফিজুর রহমান স্বতন্ত্র বৈধ এবং জেএসডি মোশাররফ হোসেন মন্টুকে কর আয়কর রিটার্ন দাখিল না করা এবং ঋণ খেলাপির কারণে বাতিল ও স্বতন্ত্র আবুল কালাম আজাদ ও সৈয়দ নজরুল ইসলামকে বাতিল করেছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা। এই আসনে ১০টি মনোনয়নপত্রের মধ্যে ৩ জনের মনোনয়নপত্রবাতিল করেন জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা।

নোয়াখালী-৩ আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ভাইস চেয়ারম্যান বরকম উল্যাহ ভুলু, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী মাওলানা বোরহান উদ্দিন, জেএসডির মোহাম্মদ সিরাজ মিয়া, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মোরশেদ আলমের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। এছাড়াও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নুর উদ্দিন, স্বতন্ত্র শরিফ আহমেদ, রাজিব উদ্দৌলা চৌধুরীর মনোনয়নপত্র বাতিল করেছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা। এই আসনে মোট ৭টির মধ্যে ৪টি বৈধ এবং ৩টি বাতিল করেছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা।

নোয়াখালী-৪ আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ভাইস চেয়ারম্যান মো. শাহজাহান, নোয়াখালী জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর ইসহাক খন্দকার, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশ প্রার্থী ইউনুস নবী, জাতীয় পার্টির মো. শরিফুল ইসলাম, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ফিরোজ আলম মাসুদ, বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দলের (মার্কসবাদী) বিটুল চন্দ্র তালুকদার, গণঅধিকার পরিষদের আবদুজ জাহেরের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। এছাড়াও স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. ইশতিয়াক হোসেনের মনোনয়নপত্র বাতিল করেছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা। এই আসনে ৮ জন প্রার্থীর মধ্যে সাতজনকে বৈধ এবং একজন স্বতন্ত্র প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করেছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা।

নোয়াখালী-৫ আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি মনোনীত মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আবু নাছের, ইসলামী ফ্রন্ট বাংলাদেশের মো. শামসুদ্দোহা, বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দলের (মার্কসবাদী) মুন তাহার বেগম, জাতীয় পার্টির খাজা তানভীর আহাম্মদ, খেলাফত মজলিসের আলী আহমদ, বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টির মোহাম্মদ আনিসুল হক, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশ মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম, জনতার দল মো. শওকত হোসেন, স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদের স্ত্রী হাসনা জসিম উদ্দিন মওদুদ আহমেদের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।

জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জেএসডি) মো. কামাল উদ্দিন পাটোয়ারীকে ঋণ খেলাপির কারণে ও স্বতন্ত্র প্রার্থী ওমর আলী, মোহাম্মদ নওশাদ, মোহাম্মদ ইউনুসের মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে। এই আসনে ১৫ জন প্রার্থীর মধ্যে ১১ জনকে বৈধ এবং ৪ জন স্বতন্ত্র প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করেছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা।

নোয়াখালী-৬ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির মনোনীত প্রার্থী আবদুল হান্নান মাসউদ, বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মো. মাহবুবের রহমান, জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী শাহ মোহাম্মদ মাহফুজুল হক, সাবেক সংসদ সদস্য মোহাম্মদ ফজলুল আজিমসহ ১১ জনের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। দুইজন স্বতন্ত্রসহ তিনজনের প্রার্থিতা বাতিল করেছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা।

উল্লেখ্য, নোয়াখালীর ৬টি আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি), বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় পার্টি, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জেএসডি), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, জাতীয় নাগরিক পার্টি, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশ, গণঅধিকার পরিষদ, বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টি, এলডিপি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (মার্কসবাদী), জনতার দল, ইসলামী ফ্রন্ট বাংলাদেশ, বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টিসহ মোট ১৪টি রাজনৈতিক দল অংশগ্রহণ করেছে।

সম্পর্কিত খবর :