Search

Search

এক্সক্লুসিভ ও ব্রেকিং খবর পেতে আপনার মোবাইল নম্বরটি দিন

স্টার পরিবারে আপনাকে স্বাগতম। নিশ্চিন্ত থাকুন, আমরা স্প্যাম করি না।

নঈম নিজামসহ ৩ জনের মামলা বাতিলের নির্দেশ

বাংলাদেশ প্রতিদিন পত্রিকার সাবেক সম্পাদক নঈম নিজাম | ছবি : সংগৃহীত
দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিন পত্রিকার সাবেক সম্পাদক নঈম নিজামসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে দায়ের করা এক মামলা বাতিল করে খালাসের আদেশ দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।

বুধবার (১৪ জানুয়ারি) দুপুরে শুনানি শেষে ঢাকার সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মোহাম্মদ সাইদুর রহমানের আদালত এ আদেশ দেন।

সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. জুয়েল মিয়া এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ আইনে ধারাগুলো কাভার না করায় মামলাটি বাতিলের আদেশ দেন আদালত।

মামলার অপর দুই ব্যক্তি হলেন বাংলাদেশ প্রতিদিন পত্রিকার প্রকাশক ময়নাল হোসেন চৌধুরী, বাংলা ইনসাইডার পত্রিকার প্রধান সম্পাদক সৈয়দ বোরহান কবীর।

এদিকে, আসামি ময়নাল হোসেন চৌধুরীর পক্ষের আইনজীবী এনামুল হক মামলাটি বাতিল চেয়ে আবেদন করেন।

ওই আবেদনে বলা হয়, আসামির বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের ধারা সমূহ অর্থাৎ ২০১৮ সালের ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ২৫/২৯/৩৫ ধারা সমূহ সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ৫০ এর (৪ক) ধারা মোতাবেক ২০২৫ সালের ২২ অক্টোবর বাতিল/রহিত বলে গেজেট প্রকাশিত হয়েছে। এই অধ্যাদেশ দ্বারা বলা হয়েছে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ২৫/২৯/৩৫ ধারায় আদালতে বিচারাধীন কোন মামলা আর চলবে না। এমতাবস্থায়, এই মামলা থেকে আসামিকে খালাস দেওয়া একান্ত আবশ্যক।

২০২২ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি ব্যারিস্টার এম সারোয়ার হোসেন বাদী হয়ে নঈম নিজামসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। ওইদিন আদালত ক্রিমিনাল ইনভেস্টিগেশন ডিপার্টমেন্টকে (সিআইডি) অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।

মামলায় আরও যাদের আসামি করা হয় তারা হলেন- ওয়েবসাইট ভাইরাল প্রতিদিনের অ্যাডমিন, বর্ণনাকারী, ভিডিও প্রস্ততকারী ও টেকনিশিয়ান।

২০২৪ সালের ২০ নভেম্বর তিন জনকে অভিযুক্ত করে প্রতিবেদন দাখিল করেন সিআইডির উপপরিদর্শক তরিকুল ইসলাম। আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হয়েছে মর্মে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

মামলা অভিযোগে বলা হয়, ২০২১ সালের ৭ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ প্রতিদিন পত্রিকায় ‘নুসরাতকে দিয়ে বিচ্ছু সামশু সিন্ডিকেটের ফের ষড়যন্ত্রমূলক মামলা’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত করা হয়। তা অনলাইনেও দেওয়া হয়।

সেখানে বলা হয়, ‘নুসরাতের আইনজীবী হলেন ব্যারিস্টার এম সারোয়ার হোসেন। একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলার সঙ্গে ব্যারিস্টার এম সারোয়ারের জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। তিনি রাষ্ট্রবিরোধী গুজব ও অপপ্রচারকারী চক্রের অন্যতম হোতা। তার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্র এবং নাশকতার একাধিক মামলা রয়েছে। মুনিয়া ইস্যু নিয়ে তারা এর আগেও রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্রে মেতে উঠেছিলেন।’

এছাড়াও আসামিরা ব্যারিস্টার সরোয়ারকে একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলার হোতা হিসেবে উল্লেখ করে সেসব তথ্য ফেসবুকে ছড়িয়ে দেন৷

মামলায় সারোয়ার বলেছেন, তিনি নুসরাতের আইনজীবী নন। নুসরাতের মামলার নারাজি আবেদনের শুনানিতে অংশ নিয়েছিলেন। ওই বছরের ৮ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ ইনসাইডার পত্রিকায় ‘কে এই সারোয়ার’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশের কথাও মামলায় উল্লেখ করা হয়। পাশাপাশি সারোয়ার বলেন, ফেইসবুক পেইজ ভাইরাল প্রতিদিনে তাকে নিয়ে উদ্দেশ্যেপ্রণোদিতভাবে লেখা হচ্ছে।

সম্পর্কিত খবর :