Search

Search

এক্সক্লুসিভ ও ব্রেকিং খবর পেতে আপনার মোবাইল নম্বরটি দিন

স্টার পরিবারে আপনাকে স্বাগতম। নিশ্চিন্ত থাকুন, আমরা স্প্যাম করি না।

প্রকৃতি আমাদের যেভাবে সুস্থ রাখে

সংগৃহীত

ব্যস্ততার শহরে আমরা প্রতিদিনই ক্লান্ত হইশরীর ক্লান্ত হয়, মন ভারী হয়ে ওঠে। সময়ের চাপে, শব্দের ভিড়ে, পর্দার আলোয় হারিয়ে যেতে যেতে আমরা খুঁজে নিতে ভুলে যাই আরোগ্যের সবচেয়ে সহজ পথটি আমাদের চারপাশেই ছড়িয়ে আছে। সেই পথের নাম প্রকৃতি।

সবুজের ছোঁয়ায় মানসিক শান্তি

গাছের পাতার ফাঁক দিয়ে সূর্যের আলো, ভেজা মাটির গন্ধ কিংবা খোলা আকাশএসবের সঙ্গে মানুষের সম্পর্ক আদিম।

গবেষণায় দেখা যায়, সবুজ পরিবেশে কিছু সময় কাটালে মানসিক চাপ কমে, উদ্বেগ হ্রাস পায়। প্রকৃতির সঙ্গে যুক্ত হলে মস্তিষ্কের কর্টিসল হরমোনের মাত্রা কমে যায়, যা আমাদের মানসিক ভারসাম্য ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করে। তাই অনেক সময় গভীর নিঃশ্বাসে কোনো পার্কে হাঁটলেই মনটা হালকা হয়ে আসে।

নীরবতায় মন সারানোর ক্ষমতা

প্রকৃতির নীরবতাই সবচেয়ে বড় চিকিৎসা। নদীর কলকল ধ্বনি, বাতাসে দুলতে থাকা গাছ, কিংবা ভোরের পাখির ডাকএসব শব্দ মনকে স্থির করে। এই নীরবতায় নিজেকে নতুন করে খুঁজে পাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়। আধুনিক থেরাপিতেও এখননেচার থেরাপি বাফরেস্ট বাথিং জনপ্রিয় হয়ে উঠছে।

সূর্য, বাতাস সুস্থ শরীর

প্রকৃতির উপাদানগুলো আমাদের শরীরের জন্য অপরিহার্য। সকালের রোদ শরীরে ভিটামিন ডি তৈরি করে, যা হাড় রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। খোলা বাতাসে হাঁটা-চলা শ্বাসপ্রশ্বাসকে স্বাভাবিক করে এবং রক্তসঞ্চালন বাড়ায়। নিয়মিত প্রকৃতির সংস্পর্শে থাকলে ঘুম ভালো হয়, ক্লান্তি কমে।খালি পায়ে ঘাসে হাঁটা বা মাটির স্পর্শ শরীরের ভেতরের অস্থিরতা কমাতে সাহায্য করে। আবার নদী, পুকুর বা বৃষ্টির জল আমাদের মনে একধরনের শীতল প্রশান্তি এনে দেয়। জল যেন মনে জমে থাকা ক্লান্তিও ধুয়ে নিয়ে যায়।

ছোট অভ্যাসে বড় উপকার

প্রতিদিন কিছু সময় বারান্দায় গাছের পাশে বসা, সপ্তাহে একদিন খোলা জায়গায় হাঁটা, সূর্যাস্ত দেখা কিংবা গাছ লাগানোএসব ছোট অভ্যাস ধীরে ধীরে আমাদের ভেতরের ক্ষতগুলো সারিয়ে তোলে।

প্রকৃতি কোনো ওষুধ নয়, তবু তার আরোগ্যের ক্ষমতা গভীর দীর্ঘস্থায়ী।যখন জীবন ভারী লাগে, তখন হয়তো এক মুঠো সবুজ, এক টুকরো আকাশই যথেষ্ট নিজেকে আবার ভালো করে তুলতে।

সম্পর্কিত খবর :