সেই এরফান সোলতানির জামিন
ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভে জড়িত থাকার অভিযোগে মৃত্যুদণ্ডের সাজা পাওয়া এরফান সোলতানি জামিনে মুক্ত হয়েছেন। ২৬ বছর বয়সী সোলতানিকে গেল মাসে ইরানে রক্তক্ষয়ী বিক্ষোভে সম্পৃক্ত থাকার ঘটনায় মৃত্যুদণ্ডের সাজা দেওয়া হয়েছিল। এর আগে গেল ৮ জানুয়ারি তাকে তেহরানের পশ্চিমে ফারদিস শহরকে গ্রেপ্তার করা হয়। খবর বিবিসির।
কিছু দিন পর ইরানি কর্মকর্তারা সোলতানির পরিবারকে জানায়, তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হবে। যদিও ইরানের বিচার বিভাগ দাবি করে, এরফানকে মৃত্যুদণ্ড নয় কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
সোলতানির আইনজীবী আমির মৌসাকহানি বার্তা সংস্থা এএফপিকে জানান, শনিবার তার মক্কেলকে জামিন দেওয়া হয়েছে। এ সময় মোবাইল ফোনসহ তার সব জিনিসপত্র ফেরত দেওয়া হয়েছে। জামিন পেতে ২০০ কোটি তামান বা প্রায় ১২ হাজার ৬০০ ডলার জমা দিতে হয়েছে বলেও জানান সোলতানির আইনজীবী।
পরে নরওয়ে ভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা হেঙ্গাও এবং ইরানের বেসরকারি গণমাধ্যম ইসনা-ও সোলতানির জামিনের খবর নিশ্চিত করে।
কাপড় দোকানের মালিক সোলতানির গ্রেপ্তার বিশ্বজুড়ে ঝড় তুলেছিল। তার একজন স্বজন পরে বিবিসি ফার্সিকে জানিয়েছিলেন, দুই দিনের মধ্যে সোলতানির মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের নির্দেশ দিয়েছেন একটি আদালত।
এরপর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সোলতানির মৃত্যুদণ্ডের খবরে কড়া প্রতিক্রিয়া দেখান। তিনি হুমকি দেন, যদি মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়, ‘খুব জোরালো পদক্ষেপ’ নেওয়া হবে। জবাবে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিও পাল্টা হুঁশিয়ারি দেন। বলেন, কোনো হামলা হলে, তা পুরো অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়তে পারে।
কিছু দিন পর ইরানি কর্মকর্তারা সোলতানির পরিবারকে জানায়, তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হবে। যদিও ইরানের বিচার বিভাগ দাবি করে, এরফানকে মৃত্যুদণ্ড নয় কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
সোলতানির আইনজীবী আমির মৌসাকহানি বার্তা সংস্থা এএফপিকে জানান, শনিবার তার মক্কেলকে জামিন দেওয়া হয়েছে। এ সময় মোবাইল ফোনসহ তার সব জিনিসপত্র ফেরত দেওয়া হয়েছে। জামিন পেতে ২০০ কোটি তামান বা প্রায় ১২ হাজার ৬০০ ডলার জমা দিতে হয়েছে বলেও জানান সোলতানির আইনজীবী।
পরে নরওয়ে ভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা হেঙ্গাও এবং ইরানের বেসরকারি গণমাধ্যম ইসনা-ও সোলতানির জামিনের খবর নিশ্চিত করে।
কাপড় দোকানের মালিক সোলতানির গ্রেপ্তার বিশ্বজুড়ে ঝড় তুলেছিল। তার একজন স্বজন পরে বিবিসি ফার্সিকে জানিয়েছিলেন, দুই দিনের মধ্যে সোলতানির মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের নির্দেশ দিয়েছেন একটি আদালত।
এরপর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সোলতানির মৃত্যুদণ্ডের খবরে কড়া প্রতিক্রিয়া দেখান। তিনি হুমকি দেন, যদি মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়, ‘খুব জোরালো পদক্ষেপ’ নেওয়া হবে। জবাবে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিও পাল্টা হুঁশিয়ারি দেন। বলেন, কোনো হামলা হলে, তা পুরো অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়তে পারে।