ফের উত্তপ্ত পাকিস্তানের বালুচিস্তান, চলছে সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান
ফের উত্তপ্ত পাকিস্তান। আফগান সীমান্ত লাগোয়া দেশটির দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় রাজ্য বালুচিস্তানে চলছে পাক সরকারের সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান ফিতনা আল হিন্দুস্তান। রাজ্যের ১২টি এলাকায় শনিবার একযোগে এই অভিযান চালানো হয়। এতে হতাহত হয়েছে বহু। বিচ্ছিন্নতাবাদীদের পাশাপাশি প্রাণ গেছে বেসামরিক নাগরিক ও সেনাদেরও।
বার্তাসংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদন বলছে, গেল কয়েকদিন ধরে রাজ্যটিতে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে বিচ্ছিন্নতাবাদী সংস্থা বালুচ লিবারেশন আর্মি- বিএলএ। শনিবারের হামলারও দায় স্বীকার করেছে গোষ্ঠীটি। তাদের দাবি, চলমান সংঘর্ষে নিরাপত্তাবাহিনীর প্রায় ৮৪ সদস্যকে হত্যা করেছে তারা।
পরে পাকিস্তান সেনবাহিনী সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান শুরু করে। এ অভিযানে ব্যাপক ভোগান্তিতে পড়েছে সীমান্ত এলাকার সাধারণ মানুষ। অভিযানের স্বার্থে রাজ্যজুড়ে গুরুত্বপূর্ণ বেশ কয়েকটি রাস্তা বন্ধ করে রেখেছে কর্তৃপক্ষ।
এদিকে সন্ত্রাসবিরোধী এসব অভিযানের স্বার্থে উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় তিরাহ উপত্যকা থেকেও বাসিন্দাদের সরে যাওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। আগামী ৫ জানুয়ারির মধ্যে নিরাপদ অঞ্চলে সরে যেতে বলা হয়েছে। স্থানীয় কর্তৃপক্ষের তথ্যমতে, এরইমধ্যে কয়েক হাজার মানুষ এলাকা ছেড়েছেন।
অন্যদিকে মঙ্গলবার ওই এলাকায় কোনো সামরিক অভিযানের কথা অস্বীকার করেছেন পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খাজা মুহাম্মাদ আসিফ। বলে, কোনো অভিযান নয়, শীতের তীব্রতায় এলাকা ছাড়ছেন বাসিন্দারা। তবে বাসিন্দারা বলছেন, এ এলাকায় সবসময়ই শীত থাকে। তাই শীতের কারণে ঘর-বাড়ি ছেড়ে অন্যত্র যাওয়ার কোনো প্রশ্নই আসে না।
২০২১ সালে আফগানিস্তানে তালেবান ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকে পাকিস্তানে আন্তঃসীমান্ত সন্ত্রাসী তৎপরতা বেড়েছে। পাকিস্তান আইএসপিআরের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে পাকিস্তানজুড়ে পরিচালিত হয়েছে ৭৫ হাজারের বেশি গোয়েন্দা অভিযান। গত বছর দেশটিতে ৫ হাজার ৩৯৭টি সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটেছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাল্টা অভিযানে দেশটিতে প্রাণ হারিয়েছে আড়াই হাজারের বেশি সশস্ত্র সদস্য।
বার্তাসংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদন বলছে, গেল কয়েকদিন ধরে রাজ্যটিতে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে বিচ্ছিন্নতাবাদী সংস্থা বালুচ লিবারেশন আর্মি- বিএলএ। শনিবারের হামলারও দায় স্বীকার করেছে গোষ্ঠীটি। তাদের দাবি, চলমান সংঘর্ষে নিরাপত্তাবাহিনীর প্রায় ৮৪ সদস্যকে হত্যা করেছে তারা।
পরে পাকিস্তান সেনবাহিনী সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান শুরু করে। এ অভিযানে ব্যাপক ভোগান্তিতে পড়েছে সীমান্ত এলাকার সাধারণ মানুষ। অভিযানের স্বার্থে রাজ্যজুড়ে গুরুত্বপূর্ণ বেশ কয়েকটি রাস্তা বন্ধ করে রেখেছে কর্তৃপক্ষ।
এদিকে সন্ত্রাসবিরোধী এসব অভিযানের স্বার্থে উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় তিরাহ উপত্যকা থেকেও বাসিন্দাদের সরে যাওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। আগামী ৫ জানুয়ারির মধ্যে নিরাপদ অঞ্চলে সরে যেতে বলা হয়েছে। স্থানীয় কর্তৃপক্ষের তথ্যমতে, এরইমধ্যে কয়েক হাজার মানুষ এলাকা ছেড়েছেন।
অন্যদিকে মঙ্গলবার ওই এলাকায় কোনো সামরিক অভিযানের কথা অস্বীকার করেছেন পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খাজা মুহাম্মাদ আসিফ। বলে, কোনো অভিযান নয়, শীতের তীব্রতায় এলাকা ছাড়ছেন বাসিন্দারা। তবে বাসিন্দারা বলছেন, এ এলাকায় সবসময়ই শীত থাকে। তাই শীতের কারণে ঘর-বাড়ি ছেড়ে অন্যত্র যাওয়ার কোনো প্রশ্নই আসে না।
২০২১ সালে আফগানিস্তানে তালেবান ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকে পাকিস্তানে আন্তঃসীমান্ত সন্ত্রাসী তৎপরতা বেড়েছে। পাকিস্তান আইএসপিআরের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে পাকিস্তানজুড়ে পরিচালিত হয়েছে ৭৫ হাজারের বেশি গোয়েন্দা অভিযান। গত বছর দেশটিতে ৫ হাজার ৩৯৭টি সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটেছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাল্টা অভিযানে দেশটিতে প্রাণ হারিয়েছে আড়াই হাজারের বেশি সশস্ত্র সদস্য।