বেনাপোলে ভারত থেকে আমদানি হলো ইলিশ!
বেনাপোল স্থলবন্দরে মিথ্যা ঘোষণায় বিপুল পরিমাণ ভারতীয় ইলিশ মাছের চালান আটক করেছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। পণ্য চালানটিতে সাদা মাছের সাথে ঘোষণা বহির্ভূত প্রায় সাড়ে ৩ টন ইলিশ মাছ আমদানি করা হয়েছে। পচনশীল পণ্য বিবেচনায় নিয়ে অন্যান্য মাছ খালাসের ব্যবস্থা করা হলেও ইলিশ মাছ বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৪ জানুয়ারি) রাতে বেনাপোল কাস্টমস হাউসের ৩১ নম্বর কাঁচামালের শেডে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে চালানটি আটক করা হয়। আমদানিকৃত দুটি ভারতীয় ট্রাক থেকে পণ্য খালাসের সময় সন্দেহ দেখা দিলে কাস্টমসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে পরীক্ষা চালানো হয়। পরীক্ষায় ঘোষণাপত্রে ‘সুইট ফিস’ বোয়াল, ফলি ও বাঘাইর মাছ উল্লেখ থাকলেও বাস্তবে ২২৫ প্যাকেজের মধ্যে ৫৪ প্যাকেজে পাওয়া যায় প্রায় সাড়ে ৩ টন ভারতীয় ইলিশ। যার বাজার মূল্য প্রায় ৩০ লাখ টাকা। ঘোষণার সঙ্গে পণ্যের এই স্পষ্ট অমিলের কারণে পুরো চালানটি তাৎক্ষণিকভাবে জব্দ করা হয়।
পণ্য চালানটির ভারতীয় রপ্তানিকারক ছিল মেসার্স আরজে ইন্টারন্যাশনাল ও আমদানিকারক বাংলাদশের সাতক্ষীরার মেসার্স জান্নাত এন্টারপ্রাইজ। উভয় পক্ষের সমন্বয়েই ঘোষণাপত্রে পণ্যের প্রকৃতি গোপন রেখে উচ্চমূল্যের ও নিয়ন্ত্রিত পণ্য কম শুল্কে খালাসের চেষ্টা করা হচ্ছিল বলে কাস্টমস সূত্রে জানা গেছে।
এ বিষয়ে বেনাপোল কাস্টমস হাউসের কমিশনার মোহাম্মদ ফাইজুর রহমান বলেন, 'ঘোষণাপত্রের সঙ্গে পণ্যের প্রকৃত অবস্থার স্পষ্ট অমিল পাওয়া গেছে, যা শুল্ক আইনের গুরুতর লঙ্ঘন। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। আমদানিকারক, সি অ্যান্ড এফ এজেন্টসহ সংশ্লিষ্ট সবাই তদন্তের আওতায় রয়েছে।
বন্দর সুত্রে জানা যায়, এক শ্রেণির দূনীতিবাজ ব্যবসায়ীদের শুল্ক ফাঁকির কারণে চলতি অর্থবছরের ৬ মাসে ১০১৩ কোটি টাকা রাজস্ব ঘটতি হয়েছে। চিহ্নিত শুল্ক ফাঁকিবাজদের মধ্যে সিঅ্যান্ডএফ ব্যবসায়ী শান্ত আলোচিত। এসব অনিয়মের সাথে কাস্টমসের এক শ্রেণির দূর্নীবাজদের সখ্যতা রয়েছে। অপরাধীরা ধরা পড়লেও বিভিন্ন কৌশলে তাদের লাইসেন্স কাস্টমস কর্মকর্তারা বাঁচিয়ে দিয়ে আবারও ব্যবসার সুযোগ করে দেয় বলেই অভিযোগ।
মঙ্গলবার (১৪ জানুয়ারি) রাতে বেনাপোল কাস্টমস হাউসের ৩১ নম্বর কাঁচামালের শেডে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে চালানটি আটক করা হয়। আমদানিকৃত দুটি ভারতীয় ট্রাক থেকে পণ্য খালাসের সময় সন্দেহ দেখা দিলে কাস্টমসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে পরীক্ষা চালানো হয়। পরীক্ষায় ঘোষণাপত্রে ‘সুইট ফিস’ বোয়াল, ফলি ও বাঘাইর মাছ উল্লেখ থাকলেও বাস্তবে ২২৫ প্যাকেজের মধ্যে ৫৪ প্যাকেজে পাওয়া যায় প্রায় সাড়ে ৩ টন ভারতীয় ইলিশ। যার বাজার মূল্য প্রায় ৩০ লাখ টাকা। ঘোষণার সঙ্গে পণ্যের এই স্পষ্ট অমিলের কারণে পুরো চালানটি তাৎক্ষণিকভাবে জব্দ করা হয়।
পণ্য চালানটির ভারতীয় রপ্তানিকারক ছিল মেসার্স আরজে ইন্টারন্যাশনাল ও আমদানিকারক বাংলাদশের সাতক্ষীরার মেসার্স জান্নাত এন্টারপ্রাইজ। উভয় পক্ষের সমন্বয়েই ঘোষণাপত্রে পণ্যের প্রকৃতি গোপন রেখে উচ্চমূল্যের ও নিয়ন্ত্রিত পণ্য কম শুল্কে খালাসের চেষ্টা করা হচ্ছিল বলে কাস্টমস সূত্রে জানা গেছে।
এ বিষয়ে বেনাপোল কাস্টমস হাউসের কমিশনার মোহাম্মদ ফাইজুর রহমান বলেন, 'ঘোষণাপত্রের সঙ্গে পণ্যের প্রকৃত অবস্থার স্পষ্ট অমিল পাওয়া গেছে, যা শুল্ক আইনের গুরুতর লঙ্ঘন। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। আমদানিকারক, সি অ্যান্ড এফ এজেন্টসহ সংশ্লিষ্ট সবাই তদন্তের আওতায় রয়েছে।
বন্দর সুত্রে জানা যায়, এক শ্রেণির দূনীতিবাজ ব্যবসায়ীদের শুল্ক ফাঁকির কারণে চলতি অর্থবছরের ৬ মাসে ১০১৩ কোটি টাকা রাজস্ব ঘটতি হয়েছে। চিহ্নিত শুল্ক ফাঁকিবাজদের মধ্যে সিঅ্যান্ডএফ ব্যবসায়ী শান্ত আলোচিত। এসব অনিয়মের সাথে কাস্টমসের এক শ্রেণির দূর্নীবাজদের সখ্যতা রয়েছে। অপরাধীরা ধরা পড়লেও বিভিন্ন কৌশলে তাদের লাইসেন্স কাস্টমস কর্মকর্তারা বাঁচিয়ে দিয়ে আবারও ব্যবসার সুযোগ করে দেয় বলেই অভিযোগ।