সরকারি চাকরি ছেড়ে নির্বাচনে, সেই নৈশ প্রহরীর মনোনয়নপত্র বাতিল
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে লড়তে সরকারি চাকরি থেকে ইস্তফা দিয়েছিলেন নৈশপ্রহরী খাইরুল ইসলাম। তবে শেষ পর্যন্ত নির্বাচনের মাঠ থেকে বিদায় নিতে হলো তাকে।
রবিবার (৪ জানুয়ারি) যাচাই-বাছাইয়ের পর তার মনোনয়নপত্র বাতিল হয়ে গেছে।
এর আগে গত ২৯ ডিসেম্বর কুষ্টিয়া-৪ (খোকসা-কুমারখালী) আসন থেকে জাতীয় সংসদ সদস্য পদে নির্বাচন লড়তে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিলেন খায়রুল ইসলাম। রবিবার এ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই করে সাবেক এই সরকারি কর্মচারীর মনোনয়নপত্রটি বাতিল ঘোষণা করা হয়।
জেলার রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক ইকবাল হোসেন জানান, নির্বাচনী বিধিমালা অনুযায়ী কোনো সরকারি কর্মচারী-কর্মকর্তা অবসর গ্রহণ বা চাকরি ছাড়ার তিন বছর পূর্ণ না হলে সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না। এ ক্ষেত্রে খাইরুল ইসলামের চাকরিতে ইস্তফা দেওয়ার কেবলমাত্র চার মাস পার হয়েছে। তাই বিধিমালা অনুযায়ী তার মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়।
জেলার কুমারখালী উপজেলার বাসিন্দা খায়রুল ইসলাম বস্ত্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে একটি প্রতিষ্ঠানে নৈশপ্রহরী হিসেবে কর্মরত ছিলেন। বাউল মতের অনুসারী খায়রুল ইসলাম সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে প্রায় চার মাস আগে সরকারি চাকরিতে ইস্তফা দেন।
এর আগে ২০২৪ সালে অনুষ্ঠিত দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও একই আসন থেকে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিলেন তিনি। তবে তিনি সেই সময় সরকারি চাকরিতে থাকায় তার মনোনয়ন বাতিল হয়ে যায়।