Search

Search

এক্সক্লুসিভ ও ব্রেকিং খবর পেতে আপনার মোবাইল নম্বরটি দিন

স্টার পরিবারে আপনাকে স্বাগতম। নিশ্চিন্ত থাকুন, আমরা স্প্যাম করি না।

বিশ্ব বাজারে বাড়ছে জ্বালানি তেলের দাম, যে কারণ জানা গেল

বিশ্ববাজারে বাড়ছে জ্বালানি তেলের দাম | প্রতীকী ছবি
আন্তর্জাতিক বাজারে ইরান ও ভেনেজুয়েলার জ্বালানি তেলের সরবরাহ সংকটের আশঙ্কায় বিশ্ববাজারে বাড়ছে জ্বালানি তেলের দাম। এক ব্যারেল জ্বালানি তেলের দাম উঠেছে সর্বোচ্চ ৬২ ডলার ৩৯ সেন্টে। ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েটের দাম উঠেছে এক ব্যারেল ৫৮ ডলার ১১ সেন্ট।

ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটক এবং দেশটির জ্বালানি খাতের নিয়ন্ত্রণ যুক্তরাষ্ট্র নিজের হাতে নেওয়ার ঘোষণার পর বিশ্ববাজারে বাড়ছে জ্বালানি তেলের দাম।

রয়টার্স সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) টানা দ্বিতীয় দিনের মতো তেলের দাম বেড়েছে। ভেনেজুয়েলা থেকে ভবিষ্যৎ সরবরাহ নিয়ে অনিশ্চয়তা এবং ইরানে অস্থিরতা বাড়ায় সেখানে উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কায় দাম ঊর্ধ্বমুখী।

আন্তর্জাতিক মানদণ্ড ব্রেন্ট তেলের ফিউচার ব্যারেলপ্রতি ৪০ সেন্ট বা শূন্য দশমিক ৭ শতাংশ বেড়ে ৬২ দশমিক ৩৯ ডলারে দাঁড়ায় (গ্রিনিচ মান সময় ভোর ৪টায়)। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট তেল ৩৫ সেন্ট বা শূন্য দশমিক ৬ শতাংশ বেড়ে ৫৮ দশমিক ১১ ডলার হয়।

বৃহস্পতিবার টানা দুই দিন দরপতনের পর দুই মানদণ্ডের দামই তিন শতাংশের বেশি বেড়েছিল। সপ্তাহ শেষে ব্রেন্ট তেলের দাম দুই দশমিক ৭ শতাংশ বাড়ার পথে রয়েছে, আর ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট তেল এক দশমিক ৪ শতাংশ লাভ করেছে।

প্রথমত, ভেনেজুয়েলার সরবরাহ নিয়ে অনিশ্চয়তা তেলের মূল্যকে প্রভাবিত করছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটকের পর দেশটির তেল খাতের উপর মার্কিন নিয়ন্ত্রণের দাবি তুলেছেন। এতে করে বাজারে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে যে ভেনেজুয়েলার তেল উৎপাদন বা রপ্তানি পুরোপুরি স্বাভাবিকভাবে চলবে কি না! মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ভেনেজুেলার তেল রপ্তানি ও আয়ের ওপর দীর্ঘমেয়াদি নিয়ন্ত্রণ চায়, যার ফলে বাজারে সরবরাহ কমে যেতে পারে।

দ্বিতীয়ত, ইরানে চলমান অস্থিরতা ও বিক্ষোভ তেলের বাজারকে আরও গরম করছে। ইরানের রাজধানী তেহরান, মাশহাদ ও ইসফাহানসহ দেশটির বড় শহরগুলোতে অর্থনৈতিক সমস্যার কারণে বিক্ষোভ চলছেই। এর সঙ্গে দেশজুড়ে ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউটের খবরও মিলেছে। এই পরিস্থিতি সেখানে তেলের উৎপাদন বা রপ্তানি ব্যাহত হতে পারে—যা সরবরাহে কমতি ঘটানোর আশঙ্কা বাড়াচ্ছে।

সম্পর্কিত খবর :