Search

Search

এক্সক্লুসিভ ও ব্রেকিং খবর পেতে আপনার মোবাইল নম্বরটি দিন

স্টার পরিবারে আপনাকে স্বাগতম। নিশ্চিন্ত থাকুন, আমরা স্প্যাম করি না।

৬ মাসে ভারতে রপ্তানি কমলেও যুক্তরাষ্ট্রে বেড়েছে দেড় শতাংশ

পণ্যের রপ্তানি | প্রতীকী ছবি

চলতি অর্থবছরের জুলাই-ডিসেম্বর এই ছয় মাসে ভারতে, বাংলাদেশি পণ্যের রপ্তানি আয়ের পরিমাণ ৮.৪৮ শতাংশ কমে হয়েছে ৮৮৭.১৪ মিলিয়ন ডলার। যা গেল অর্থবছরের একই সময়ে ছিল প্রায় ৯৭০ মিলিয়ন ডলার। স্থলবন্দর দিয়ে কিছু পণ্য রপ্তানিতে ভারত নিষেধাজ্ঞা দেওয়ায় এই প্রভাব পড়েছ বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এদিকে একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি বেড়েছে ১.৫৪ শতাংশ। চলতি অর্থবছরের জুলাই-ডিসেম্বরে দেশটি থেকে রপ্তানি আয়ের পরিমাণ ছিল ৪.৪৬ বিলিয়ন ডলার, আগের অর্থবছরের একই সময়ে ছিল ৪.৩৯ বিলিয়ন ডলার।

রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো প্রকাশিত প্রতিবেদন বিশ্লেষণে এই তথ্য পাওয়া গেছে। রোববার ( জানুয়ারি) চলতি অর্থবছরের প্রথমার্ধের হালনাগাদ রপ্তানি তথ্য প্রকাশ করেছে ইপিবি।

প্রকাশিত তথ্যে জানা গেছে, বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের প্রধান দুই উৎসের একটি প্রবাসী আয় বাড়লেও পণ্য রপ্তানি নেতিবাচক ধারায় চলে গেছে। পাঁচ মাস ধরে রপ্তানি কমছে। এর মধ্যে গত ডিসেম্বরে শীর্ষ পাঁচ খাতের রপ্তানি কমেছে। এতে চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথমার্ধে (জুলাই-ডিসেম্বর) দেশের সামগ্রিক পণ্য রপ্তানি কমেছে প্রায় ২ শতাংশ।

গত নভেম্বরের শেষেও সামগ্রিক পণ্য রপ্তানি ইতিবাচক ধারায় ছিল। ডিসেম্বরের শেষে রপ্তানি নেতিবাচক হয়ে গেছে। অথচ রাজনৈতিক পটপরিবর্তনসহ বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ সত্ত্বেও গত অর্থবছরে পণ্য রপ্তানিতে সাড়ে ৮ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছিল।

দেশের রপ্তানিকারকেরা বলছেন, যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে পাল্টা শুল্ক আরোপের পর বাড়তি ক্রয়াদেশের যে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছিল, সেটি পাওয়া যায়নি। উল্টো ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) দেশগুলোতেও প্রতিযোগিতার মুখে পড়তে হচ্ছে। প্রতিবেশী ভারত বিধিনিষেধ আরোপ করায় সে দেশেও রপ্তানি নিম্নমুখী। আবার দেশেও ব্যাংক খাতের কড়াকড়িতে অনেক রপ্তানিকারক সংকটে পড়েছে। গ্যাস-বিদ্যুতের সংকটের পাশাপাশি এগুলোর মূল্যবৃদ্ধির কারণেও ব্যবসার খরচ বেড়েছে। সব মিলিয়ে পণ্য রপ্তানি খাত চাপের মুখে পড়ে গেছে বলে দাবি করছেন তারা।

সম্পর্কিত খবর :