Search

Search

মোসাব্বির হত্যা

জবানবন্দি দিতে অস্বীকৃতি, রিমান্ড শেষে কারাগারে বিল্লাল

মো. আজিজুর রহমান মোসাব্বির | ছবি: সংগৃহীত
রাজধানীর তেজগাঁওয়ে স্বেচ্ছাসেবক দলের ঢাকা মহানগর উত্তরের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. আজিজুর রহমান মোসাব্বিরকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় করা মামলায় মো. বিল্লালের রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) দ্বিতীয় দফায় তিন দিনের রিমান্ড শেষে আসামিকে আদালতে হাজির করে পুলিশ। এরপর আসামি স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে সম্মতি হওয়ায় তা রেকর্ড করার আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা তেজগাঁও থানার পুলিশ পরিদর্শক মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম। তবে শেষ পর্যায়ে বিচারকের খাসকামরায় গিয়েই আসামি জবানবন্দি দিতে অস্বীকৃতি জানায়। পরে বিচারক তাকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

ঢাকার প্রসিকিউশন বিভাগের উপপরিদর্শক আরিফ এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, আসামি প্রথমে জবানবন্দি দিতে চাইলেও, পরে তা প্রত্যাখ্যান করেন। এরপর বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

গত ১১ জানুয়ারি রাজধানীর তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানাধীন পূর্ব নাখাল পাড়া এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরদিন তার সাত দিনের রিমান্ডে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত। সাত দিনের রিমান্ড শেষে গত ১৯ জানুয়ারি দ্বিতীয় দফায় তিন দিনের রিমান্ডে পাঠানো হয়।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, প্রতিদিনের মত গত ৭ জানুয়ারি আজিজুর রহমান মোসাব্বির বন্ধুদের সঙ্গে তেজগাঁও থানাধীন পশ্চিম তেজতুরী বাজার এলাকায় আড্ডা দেন। আড্ডা শেষে রাত ৮ টার ১০ মিনিটের দিকে বাসা উদ্দেশ্যে রওনা দেন। ১০ মিনিট পর তেজতুরি বাজারের আহসানউল্লাহ ইন্সটিটিউটের সামনে গতিরোধ করে অজ্ঞাতনামা ৪ থেকে ৫ জন তাকে গুলি করে। আসামিদের ছোঁড়া গুলির আঘাতে বাদীর স্বামী মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। সঙ্গে থাকা সুফিয়ান বেপারী মাসুদ ভুক্তভোগী মোসাব্বিরকে বাঁচাতে আসলে আসামিরা তাকেও গুলি করে।

আসামিরা মৃত ভেবে পালিয়ে গেলে আশেপাশের লোকজন তাদের হাসপাতালে ভর্তি করান। পরে চিকিৎসক মুসাব্বিরকে মৃত ঘোষণা করেন। মাসুদকে চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল পাঠানো হয়। ওই ঘটনায় গত ৭ জানুয়ারি মুসাব্বিরের স্ত্রী সুরাইয়া বেগম রাজধানীর তেজগাঁও থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।

সম্পর্কিত খবর :