বিমানবন্দর ও আশপাশের এলাকায় হর্ন বাজালে গুনতে হবে জরিমানা
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং এর আশপাশের নীরব এলাকায় হর্ন বাজালে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। এছাড়া গুলশান, বনানী, বারিধারা ও নিকেতন এলাকাও এই নিষেধাজ্ঞার অন্তর্ভুক্ত।
গণমাধ্যমে পাঠানো বার্তায় ডিএমপির পক্ষ থেকে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়। চলতি মাসের ২৫ তারিখ থেকে এই নির্দেশনা কার্যকর হবে বলেও জানানো হয় বার্তায়।
ডিএমপি জানিয়েছে, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন কর্তৃক হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এলাকা এবং এর উত্তর-দক্ষিণে দেড় কিলোমিটার (উত্তরা স্কলাস্টিকা স্কুল থেকে হোটেল ‘লা মেরিডিয়ান’ পর্যন্ত) এলাকাকে গত সেপ্টেম্বর ২০২৫ থেকে ‘নীরব এলাকা’ ঘোষণা করা হয়েছে।
সড়ক পরিবহন আইন-২০১৮ এবং নবঘোষিত ‘শব্দদূষণ (নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালা-২০২৫’ অনুযায়ী, নীরব এলাকায় হর্ন বাজানো একটি দণ্ডনীয় অপরাধ। এই অপরাধে সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা জরিমানা অথবা ৩ মাসের কারাদণ্ড (অথবা উভয় দণ্ড) হতে পারে।
নতুন বিধিমালা অনুযায়ী, শব্দদূষণকারীদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিকভাবে জরিমানা আরোপের ক্ষমতা পুলিশকে প্রদান করা হয়েছে।
ডিএমপির বার্তায় স্পষ্ট করা হয়েছে, ঘোষিত নীরব এলাকাগুলোতে শান্ত পরিবেশ বজায় রাখতে ট্রাফিক বিভাগ নিয়মিত তদারকি করবে। কেউ আইন লঙ্ঘন করে হর্ন বাজালে তার বিরুদ্ধে কোনও শিথিলতা প্রদর্শন করা হবে না।
শহরের প্রাণকেন্দ্রে শব্দদূষণ কমিয়ে জনস্বাস্থ্য রক্ষা এবং পরিবেশ সুরক্ষায় ডিএমপির এই অভিযান ও নজরদারি অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়েছে।
গণমাধ্যমে পাঠানো বার্তায় ডিএমপির পক্ষ থেকে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়। চলতি মাসের ২৫ তারিখ থেকে এই নির্দেশনা কার্যকর হবে বলেও জানানো হয় বার্তায়।
ডিএমপি জানিয়েছে, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন কর্তৃক হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এলাকা এবং এর উত্তর-দক্ষিণে দেড় কিলোমিটার (উত্তরা স্কলাস্টিকা স্কুল থেকে হোটেল ‘লা মেরিডিয়ান’ পর্যন্ত) এলাকাকে গত সেপ্টেম্বর ২০২৫ থেকে ‘নীরব এলাকা’ ঘোষণা করা হয়েছে।
সড়ক পরিবহন আইন-২০১৮ এবং নবঘোষিত ‘শব্দদূষণ (নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালা-২০২৫’ অনুযায়ী, নীরব এলাকায় হর্ন বাজানো একটি দণ্ডনীয় অপরাধ। এই অপরাধে সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা জরিমানা অথবা ৩ মাসের কারাদণ্ড (অথবা উভয় দণ্ড) হতে পারে।
নতুন বিধিমালা অনুযায়ী, শব্দদূষণকারীদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিকভাবে জরিমানা আরোপের ক্ষমতা পুলিশকে প্রদান করা হয়েছে।
ডিএমপির বার্তায় স্পষ্ট করা হয়েছে, ঘোষিত নীরব এলাকাগুলোতে শান্ত পরিবেশ বজায় রাখতে ট্রাফিক বিভাগ নিয়মিত তদারকি করবে। কেউ আইন লঙ্ঘন করে হর্ন বাজালে তার বিরুদ্ধে কোনও শিথিলতা প্রদর্শন করা হবে না।
শহরের প্রাণকেন্দ্রে শব্দদূষণ কমিয়ে জনস্বাস্থ্য রক্ষা এবং পরিবেশ সুরক্ষায় ডিএমপির এই অভিযান ও নজরদারি অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়েছে।