কিউবাকে শায়েস্তা করতে ট্রাম্পের নতুন ফন্দি!
লাতিন আমেরিকার দেশ ভেনেজুয়েলার পর এবার কিউবাকে শায়েস্তা করতে নতুন ফন্দি এঁটেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তার সরকার অভিযোগ করেছে, কিউবা ওয়াশিংটনের নিরাপত্তার জন্য হুমকি। তবে যুক্তরাষ্ট্রের সেই অভিযোগ নাকচ করে দিয়েছে কিউবার সরকার। বলেছে, ওয়াশিংটনকে সহযোগিতা করতে প্রস্তুত আছে হাভানা।
কিউবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সোমবার এ নিয়ে একটি বিবৃতি প্রকাশ করে। এতে জোর দিয়ে বলা হয়, ক্যারিবিয়ান দ্বীপ রাষ্ট্রটি ‘সন্ত্রাসবাদে’ সমর্থন করে না। গেল মাসে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে ‘অপহরণ’ করে নিয়ে যায় মার্কিন বাহিনী। এ নিয়ে উত্তেজনার মাঝেই কোণঠাসা কিউবা, সমঝোতার ইঙ্গিত দিল।
পশ্চিম গোলার্ধ থেকে চীনের প্রভাব কমাতে মরিয়া হয়ে উঠেছেন ট্রাম্প। পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের আধিপত্যও বাড়াতে চান তিনি। এজন্য ভয়ভীতি দেখানোর পথ বেছে নিয়েছেন ট্রাম্প। এমতাবস্থায় হাভানা জানাল, গঠনমূলক সম্পৃক্ততা, আইনসম্মত সহযোগিতা এবং শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান থেকে কিউবার জনগণ ও আমেরিকার জনগণ উপকৃত হবে।
বিবৃতিতে বলা হয়, কিউবা পারস্পরিক স্বার্থ ও আন্তর্জাতিক আইনের ভিত্তিতে বাস্তব ফলাফলের দিকে লক্ষ্য রেখে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের সঙ্গে সম্মানজনক ও পারস্পরিক সংলাপ বজায় রাখার প্রতি তাদের আগ্রহ পুনর্ব্যক্ত করছে।
এর কয়েক ঘণ্টা আগে ট্রাম্প জানান, কিউবার সঙ্গে কূটনৈতিক যোগাযোগ পুনঃস্থাপন করা হয়েছে। তার প্রশাসন কিউবা সরকারের ‘সর্বোচ্চ পর্যায়ের’ সঙ্গে আলোচনা চালাচ্ছেন বলেও জানান ট্রাম্প।
কিউবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সোমবার এ নিয়ে একটি বিবৃতি প্রকাশ করে। এতে জোর দিয়ে বলা হয়, ক্যারিবিয়ান দ্বীপ রাষ্ট্রটি ‘সন্ত্রাসবাদে’ সমর্থন করে না। গেল মাসে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে ‘অপহরণ’ করে নিয়ে যায় মার্কিন বাহিনী। এ নিয়ে উত্তেজনার মাঝেই কোণঠাসা কিউবা, সমঝোতার ইঙ্গিত দিল।
পশ্চিম গোলার্ধ থেকে চীনের প্রভাব কমাতে মরিয়া হয়ে উঠেছেন ট্রাম্প। পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের আধিপত্যও বাড়াতে চান তিনি। এজন্য ভয়ভীতি দেখানোর পথ বেছে নিয়েছেন ট্রাম্প। এমতাবস্থায় হাভানা জানাল, গঠনমূলক সম্পৃক্ততা, আইনসম্মত সহযোগিতা এবং শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান থেকে কিউবার জনগণ ও আমেরিকার জনগণ উপকৃত হবে।
বিবৃতিতে বলা হয়, কিউবা পারস্পরিক স্বার্থ ও আন্তর্জাতিক আইনের ভিত্তিতে বাস্তব ফলাফলের দিকে লক্ষ্য রেখে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের সঙ্গে সম্মানজনক ও পারস্পরিক সংলাপ বজায় রাখার প্রতি তাদের আগ্রহ পুনর্ব্যক্ত করছে।
এর কয়েক ঘণ্টা আগে ট্রাম্প জানান, কিউবার সঙ্গে কূটনৈতিক যোগাযোগ পুনঃস্থাপন করা হয়েছে। তার প্রশাসন কিউবা সরকারের ‘সর্বোচ্চ পর্যায়ের’ সঙ্গে আলোচনা চালাচ্ছেন বলেও জানান ট্রাম্প।