Search

Search

এক্সক্লুসিভ ও ব্রেকিং খবর পেতে আপনার মোবাইল নম্বরটি দিন

স্টার পরিবারে আপনাকে স্বাগতম। নিশ্চিন্ত থাকুন, আমরা স্প্যাম করি না।

প্রবাসীর স্ত্রীকে গণধর্ষণের মামলায় ‘বৈষম্যবিরোধী’ দুই নেতা গ্রেপ্তার

নাফিজ আহম্মেদ ও সিজান মাহমুদ (ডানে) | ছবি: স্টার নিউজ
মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলায় ইন্টারনেটে ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে এক প্রবাসীর স্ত্রীকে গণধর্ষণের অভিযোগে দায়ের করা মামলার দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ।

বুধবার (৭ জানুয়ারি) বিকেলে তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।

গ্রেপ্তার দুইজন হলেন- মো. সিজান মাহমুদ (২০) ও নাফিজ আহম্মেদ (২২)। তারা দুজনই গত বছরের ২০ এপ্রিল ঘোষিত বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মহম্মদপুর উপজেলা কমিটির সদস্য ছিলেন বলে জানা গেছে।

মামলার অন্য দুই আসামি রুবেল শেখ (২৪) ও মো. সুমন শেখ (২৫) এখনো পলাতক রয়েছেন। তাদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মাগুরা জেলা সদস্য সচিব মোহাম্মদ হোসাইন বলেন, ‘যে কমিটিতে তাদের নাম ছিল, সেটি মাত্র দুই দিনের মাথায় বাতিল ঘোষণা করা হয়েছিল। বর্তমানে ওই কমিটির কোনো সাংগঠনিক বৈধতা নেই।’

তিনি আরও বলেন, তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনৈতিক অভিযোগের ঐ কমিটি বাতিল করা হয়েছিল।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী নারী একটি কারখানায় শ্রমিক হিসেবে কর্মরত। ঘটনার দিন সোমবার রাত ১০টার দিকে কাজ শেষে কারখানার গাড়িতে বাড়ি ফেরার পথে পূর্বপরিচিত আসামি সিজান মাহমুদ তাকে ফোন করে দেখা করেন। পরে অন্য তিন আসামি তাকে ঘিরে ধরেন। এ সময় আসামি সিজান মাহমুদকে ভুক্তভোগী নারীর পাশে দাঁড় করিয়ে মুঠোফোনে ভিডিও ধারণ করেন আসামি নাফিজ আহম্মেদ এবং ভিডিও ইন্টারনেটসহ গ্রামবাসী ও আত্মীয়স্বজনের মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে রাত সাড়ে ১১টার দিকে তাকে ধর্ষণ করে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। ঘটনা প্রকাশ করলে ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকিও দেওয়া হয়।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মহম্মদপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) স্টার নিউজকে জানান, ভুক্তভোগী নারীর ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে এবং ঘটনার দিন পরিহিত কাপড়চোপড় জব্দ করা হয়েছে। আদালতের নির্দেশে ভুক্তভোগী নারী ও আসামিদের ডিএনএ পরীক্ষার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান চলছে।

এ ঘটনায় এলাকায় তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগ বিরাজ করছে। দ্রুত বিচার ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

সম্পর্কিত খবর :