Search

Search

এক্সক্লুসিভ ও ব্রেকিং খবর পেতে আপনার মোবাইল নম্বরটি দিন

স্টার পরিবারে আপনাকে স্বাগতম। নিশ্চিন্ত থাকুন, আমরা স্প্যাম করি না।

সুন্দরবনে পর্যটক অপহরণ

চার দস্যুসহ আটক ৬, মুক্তিপণের টাকা উদ্ধার

আটক হওয়া দস্যু ও টাকা | স্টার নিউজ
সুন্দরবনে ঘুরতে যাওয়া দুই পর্যটক ও রিসোর্ট মালিককে অপহরণের ঘটনায় দস্যু (ডাকাত) দলের সহযোগীসহ ছয়জনকে আটক করেছে যৌথ বাহিনীর সদস্যরা। সেইসঙ্গে মুক্তিপণ হিসেবে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে নেওয়া ৮১ হাজার ৪০০ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়াও অপহৃত পর্যটক ও রিসোর্ট মালিককে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা কয়েছে।

সোমবার (৫ জানুয়ারি) দুপুরে খুলনার দাকোপ উপজেলা সুন্দরবন সংলগ্ন ঢাংমারী নদী পাড়ের পিয়ালী ইকোরিসোর্টে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান কোস্টগার্ড পশ্চিম জোনের স্টাফ অফিসার (অপারেশন) লেফটেন্যান্ট কমান্ডর আবরার হাসান।

এ সময় আটক ও উদ্ধার হওয়া জিম্মি ছাড়াও কোস্টগার্ড, নৌবাহিনী, পুলিশ ও র‍্যাবের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। আটক হওয়া ব্যক্তিরা হলেন- কুদ্দুস হাওলাদার (৪৩), মো. সালাম বক্স (২৪), মেহেদী হাসান (১৯), আলম মাতব্বর (৩৮), জয়নবী বিবি (৫৫) এবং বিকাশ এজেন্ট অয়ন কুণ্ডু (৩০)। তাদের সবার বাড়ি খুলনা জেলার বিভিন্ন এলাকায়। ডাকাত দলের সাথে সম্পৃক্ত ৬ জনকে আটক করা হলেও ওই দলের মূলহোতা মাসুম মৃধা এখনও পলাতক।

উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিরা হলেন- পর্যটক মো. সোহেল ও জাহিদুল ইসলাম এবং রিসোর্ট মালিক শ্রীপতি বাছাড়।

এ ব্যাপারে লেফটেন্যান্ট কমান্ডর আবরার হাসান বলেন, ‘উদ্ধার হওয়া দুই পর্যটক ছাড়াও মো. আলী সরকার, সিহান ইমরান ও রুহুল আমিন নামের পাঁচজন একসঙ্গে গত বৃহস্পতিবার ঢাকা থেকে গোলকানন নামের ওই রিসোর্টে আসেন। শুক্রবার (২ জানুয়ারি) সুন্দরবন সংলগ্ন গোলকানন রিসোর্ট থেকে কাঠের নৌকায় বনের কানুরখাল সংলগ্ন এলাকায় ঘুরতে যান। মাসুম মৃধার নেতৃত্বে একটি ডাকাত দল পাঁচ পর্যটক, এক মাঝি ও রিসোর্ট মালিকসহ সাতজনকে জিম্মি করে। পরে ডাকাতরা তিন পর্যটক ও মাঝিকে ছেড়ে দিলেও দুই পর্যটক এবং গোলকানন রিসোর্টের মালিককে জিম্মি করে সুন্দরবনের অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যায়। তাদের মুক্তির জন্য ৪০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে।’

গোলকানন রিসোর্ট মালিক শ্রীপতি বাছাড় বলেন, ‘ডাকাতরা তিনজন ছিল। তাদের কাছে তিনটি পাইপগান, দুটি রামদা ও একটি দা ছিল। আমাদের ধরার পর তারা বনের বেশ ভেতরের দিকে নিয়ে যায়। সেখানে আমাদের তিনজনকে আটককে রেখে বাকি চারজনকে ছেড়ে দেয়। আমাদের ভেতরে নিয়ে টাকার জন্য নির্যাতন করে।’

মোহাম্মদ সোহেল বলেন, ‘দস্যুরা আমাদের কাছে থাকা মোবাইল ফোন ও নগদ টাকা নিয়ে গেছে। আমাদের বেশ নির্যাতন করেছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতায় গতকাল সন্ধ্যার দিকে একটা ফরেস্ট অফিসের পেছনে ছেড়ে দিয়ে বনের ভেতর চলে যায়। পরে কোস্টগার্ড আমাদের উদ্ধার করে।’

সম্পর্কিত খবর :