Search

Search

এক্সক্লুসিভ ও ব্রেকিং খবর পেতে আপনার মোবাইল নম্বরটি দিন

স্টার পরিবারে আপনাকে স্বাগতম। নিশ্চিন্ত থাকুন, আমরা স্প্যাম করি না।

চবিতে স্নাতক শিক্ষার্থীদের হল ত্যাগে বাধ্য, ছাত্রদলের প্রতিবাদ

চবিতে আবাসিক শিক্ষার্থীদের এএফ রহমান হলত্যাগে বাধ্য করার অভিযোগ | ছবি: স্টার নিউজ
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) এএফ রহমান হলে স্নাতক শ্রেণির আবাসিক শিক্ষার্থীদের জোরপূর্বক হলত্যাগে বাধ্য করার অভিযোগ উঠেছে প্রভোস্টের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও নিন্দা জানিয়েছে চবি শাখা ছাত্রদল।

সোমবার (৫ জানুয়ারি) শাখা ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদক আবু হাসনাত মো. রুকনুদ্দিন স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এ নিন্দা প্রকাশ করেন।

বিবৃতিতে বলা হয়, ‘হল প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ তাছলিম উদ্দীনের স্বেচ্ছাচারী সিদ্ধান্ত, নিয়মবহির্ভূত নোটিশ এবং জোরপূর্বক উচ্ছেদের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের ন্যায্য অধিকার লঙ্ঘন করা হচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় আসন বরাদ্দ নীতিমালা অনুযায়ী, মাস্টার্স পরীক্ষার রেজাল্ট প্রকাশের আগ পর্যন্ত শিক্ষার্থীর ছাত্রত্ব ও আবাসিক বৈধতা বহাল থাকে। অথচ এ নীতিমালাকে উপেক্ষা করে শুধুমাত্র ভাইভা বা পরীক্ষা শেষ হওয়ার অজুহাতে শিক্ষার্থীদের হল ছাড়তে বাধ্য করা হচ্ছে, যা সম্পূর্ণ নিয়মবহির্ভূত, অমানবিক এবং ক্ষমতার অপব্যবহার।’

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘নীতিমালার ২০(ঙ) ধারায় স্পষ্টভাবে বলা আছে, রেজাল্ট প্রকাশের পরেই কেবল আসন স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হবে। সেখানে জোরপূর্বক উচ্ছেদের কোনো বিধান নেই। তবুও ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তকে আইন হিসেবে চাপিয়ে দেওয়া শিক্ষার্থীদের শিক্ষা, আবাসন ও ভবিষ্যৎকে চরম অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দিচ্ছে।’

বাধ্য হয়ে হল ছেড়ে দেওয়া স্নাতকের রাজনীতি বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী মো. আপেল মাহমুদ বলেন, ‘প্রভোস্ট স্যার অন্যের মতামতকে গ্রহণ করতে একেবারেই নারাজ, সেটা যত যুক্তিসিদ্ধই হোক। উনি যেটা মনে করেন সেটাই করেন। এতে কার মন্দ হল, কার ভালো হল এসবে উনার যায়-আসে না। আমাদের মাস্টার্স পরীক্ষা শেষ হওয়ার আগে আমাদের হল ত্যাগ করার নোটিশ পেতে হয়েছে, এটা যে কতটা প্যাথেটিক, তা শুধু আমরাই বুঝেছি। আমাদের এক প্রকার বাধ্য হয়ে হল ত্যাগ করতে হয়েছে।’

স্নাতকের পরীক্ষা ও ভাইভা শেষ করা যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের আরেক শিক্ষার্থী গাদ্দারী কুহু বলেন, ‘হল থেকে বের হয়ে যাওয়ার নোটিশ দিয়েছে। আমি প্রভোস্ট স্যারকে বলেছি আমার থিসিস আছে। উনি আমাকে আবেদন করতে বলেছেন।’

এ বিষয়ে এএফ রহমান হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ তাছলিম উদ্দিন বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনের ২০(ঙ) যেটা বলেছে এটাও ঠিক আছে, কিন্তু ২০(গ) অনুযায়ী পরীক্ষা পর্যন্তই সিট থাকে এবং ২৪ নম্বর ধারার কলামে পরিষ্কারভাবে উল্লেখ আছে যে, পরীক্ষা শেষ হলে তাগিদের জন্য প্রভোস্ট নোটিশ দিতে পারবে। আমি নোটিশ দিয়েছি, কাউকে তো বের করে দেইনি।’

তিনি আরও বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের যদি কোনো অসুবিধা থাকে, আমার সঙ্গে কথা বলতে পারতো। আমি প্রভোস্ট হয়ে প্রত্যেকের রুমে রুমে যেতে পারবো না– এই কারণে আমি নোটিশ দিয়েছি, তাগিদ দেওয়ার জন্যই।’

সম্পর্কিত খবর :