Search

Search

এক্সক্লুসিভ ও ব্রেকিং খবর পেতে আপনার মোবাইল নম্বরটি দিন

স্টার পরিবারে আপনাকে স্বাগতম। নিশ্চিন্ত থাকুন, আমরা স্প্যাম করি না।

গ্যাস নেই আতঙ্ক ছড়িয়ে এলপিজির দাম ২ হাজার টাকা!

সংগৃহীত

বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে বাড়ানো হয়েছে গ্যাস সিলিন্ডারের দাম। ১২ লিটার গ্যাস সিলিন্ডারের দাম সরকারিভাবে ১২৩৫ টাকা নির্ধারণ করা হলেও হঠাৎ দাম বেড়ে হয়েছে ২ হাজার টাকা। উচ্চ মূল্যস্ফীতির বাজারে গ্যাসের অস্বাভাবিক দাম বৃদ্ধিতে বিপাকে পড়েছেন ভোক্তারা।

‘নাই আতঙ্ক’ ছড়িয়ে বাজারে গ্যাসের দাম বাড়ানো হয়েছে প্রায় দ্বিগুণ। তাই বাধ্য হয়ে বাড়তি দামেই গ্যাস কিনতে হচ্ছে ক্রেতাদের।

এ ব্যাপারে সরেজমিন খোঁজ নিয়েছে স্টার নিউজ। এসময় গ্যাসের দোকানের কর্মচারীরা দাবি করেন, দোকানে অনেক সিলিন্ডার থাকলেও কোনোটিতেই গ্যাস নেই।

অথচ তার কিছুক্ষণ আগেই বাড়তি দামে সিলিন্ডার বিক্রি করা হয় এই দোকান থেকেই। রাজধানীর বেশিরভাগ এলাকার চিত্রটা এখন এমনই। দোকান ভর্তি সিলিন্ডার থাকলেও ক্রেতাদের বলা হচ্ছে গ্যাস নেই। তবে বাড়তি দাম দিলেই, মিলছে সিলিন্ডার।

এ যেন এলপিজি ব্যবসায়ীদের নতুন সিন্ডিকেট, যাদের দৌরাত্ম্যে দিশেহারা ক্রেতারা। তবে দাম বাড়ানোর ব্যাপারে খুচরা দোকানিরা দোষ চাপাচ্ছেন ডিলারদের ওপর।

ঠিক এভাবেই ঢাকাজুড়ে গ্যাস সরবরাহে শক্তিশালী সিন্ডিকেটের অভিযোগ উঠেছে। কৃত্রিম সংকট দেখিয়ে বাড়ানো হচ্ছে দাম, তবে এ বিষয়ে কার্যকর কোনো নজরদারী নেই সরকারি সংস্থাগুলোর। বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন-বিইআরসি সবশেষ ১২ কেজি এলপিজির সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ২৫৩ টাকা নির্ধারণ করে। তবে শুক্রবার কোথাও এ দামে বিক্রি হতে দেখা যায়নি।

যদিও ভোক্তা অধিদপ্তর বলছে, এ বিষয়ে পদক্ষেপ নিচ্ছেন তারা।

২০২১ সালের এপ্রিল থেকে প্রতি মাসে এলপিজির দাম নির্ধারণ করে আসছে বিইআরসি। বাড়তি দামের বিষয়টি ইতিমধ্যে তাদের নজরে এসেছে। এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে গত বৃহস্পতিবার এলপিজি ব্যবসায়ীদের সংগঠন লোয়াবকে চিঠিও দিয়েছে বিইআরসি।

সম্পর্কিত খবর :