Search

Search

এক্সক্লুসিভ ও ব্রেকিং খবর পেতে আপনার মোবাইল নম্বরটি দিন

স্টার পরিবারে আপনাকে স্বাগতম। নিশ্চিন্ত থাকুন, আমরা স্প্যাম করি না।

‘টাকা ধার না দেওয়ায়’ জিয়া উদ্যানে নিয়ে হত্যা: সহপাঠীর মৃত্যুদণ্ড

ছবি: সংগৃহীত

১৫ বছর আগে ঢাকার জিয়া উদ্যানে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী শামীম হাসানকে হত্যার দায়ে সহপাঠী চৌধুরী মো. জুলকার নাইন ওরফে মনিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে ট্রাইব্যুনাল। জুলকার নাইন ইউনিভার্সিটি অব অল্টারনেটিভ ডেভেলপমেন্টের (ইউডিএ) সম্মান দ্বিতীয় বর্ষের ফার্মেসী বিভাগের শিক্ষার্থী ছিলেন।

বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) এ রায় দেন ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-৪ এর বিচারক ফারজানা ইয়াসমিন।

সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী মিজানুর রহমান সাজার তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি বলে, ‘আসামি পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।’

জুলকার নাইন হবিগঞ্জের আজমেরীগঞ্জ থানার পশ্চিমবাগ গ্রামের আব্দুল মান্নানের ছেলে।

মামলার বিবরণ থেকে, শামীম হাসান ও জুলকার নাইন ইউডিএ বিশ্ববিদ্যালয়ে ফার্মেসী বিভাগের শিক্ষার্থী ছিলেন। তারা আদাবরে একই রুমে থাকতেন। পরীক্ষার ফি জমা দিতে শামীমের কাছে ৫০ হাজার টাকা ধার চায় জুলকার নাইন। তবে শামীম টাকা দিতে অপরাগতা প্রকাশ করে। টাকা না দেওয়ায় সে ক্ষোভ চেপে রাখে। ঘুরতে যাওয়ার কথা বলে শামীমকে ২০১১ সালের ৬ ডিসেম্বর রাতে হোটেল এ্যারামে নিয়ে যায় জুলকার নাইন। নিজে মদ সেবন না করে শামীমকে করায়। মদ্যপ অবস্থায় তাকে জিয়া উদ্যানে নিয়ে যায়। সেখানে গিয়ে পরীক্ষার ফি’র জন্য শামীমের ল্যাপটপ ও মোবাইল বিক্রি করবে জানিয়ে লকারের চাবি চায়। শামীম চাবি দিতে অস্বীকৃতি জানালে জুলকার নাইন গলায় ছুরিকাঘাত করে। চেহারা বিকৃত করতে মুখে ছুরিকাঘাত করে। পরদিন পুলিশ শামীমের লাশ উদ্ধার করে।

এ ঘটনায় শামীমের চাচা ৮ ডিসেম্বর শেরেবাংলা নগর থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলাটি তদন্ত করে পরের বছরের ১৩ মার্চ জুলকার নাইমকে অভিযুক্ত করে অভিযোগপত্র জমা দেন তদন্ত কর্মকর্তা শেরেবাংলা নগর থানার তৎকালীন এসআই জহুরুল হুদা। ওই বছরের ১০ সেপ্টেম্বর আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু হয়। মামলার বিচার চলাকালে ট্রাইব্যুনাল ২১ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৪ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করে। মামলার সকল কার্যক্রম শেষে গত ৮ জানুয়ারি রায়ের দিন ধার্য করা হয়। আজ ট্রাইব্যুনাল থেকে আসামির মৃত্যুদণ্ডের রায় এলো।

সম্পর্কিত খবর :