পাঁচ দিনের রিমান্ডে শওকত মাহমুদ
রমনা থানার সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি ও জনতা পার্টি বাংলাদেশের মহাসচিব শওকত মাহমুদের পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।
বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) দুপুরে ঢাকা মেট্রোপলিটন মাজিস্ট্রেট ফাহমিনা খন্দকার আন্নার আদালত এ আদেশ দেন।
তবে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা অভিযোগ আনেন, সরকার উৎখাতের ষড়যন্ত্রে জড়িত থাকার অভিযোগে যে মামলায় বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মার্কিন নাগরিক এনায়েত করিম চৌধুরী গ্রেপ্তার রয়েছেন, সেই ঘটনায় শওকত মাহমুদের সম্পৃক্ততা পেয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এ সময় আদালতে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা রিমান্ড আবেদনের বিরোধিতা করে জামিন আবেদন করেন। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা যুক্তি উপস্থাপন করলে বিচারক তাকে রিমান্ডে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এই ঘটনার সঙ্গে তিনি জড়িত নন বলে এজলাসে দাঁড়িয়ে বিচারককের কাছে ন্যায় বিচার চান শওকত মাহমুদ।
আবেদনে বলা হয়, শওকত মাহমুদসহ আরও অজ্ঞাত আসামিরা এনায়েত করিম চৌধুরীর সঙ্গে যোগসাজশে বিভিন্ন সময়ে দেশের অখণ্ডতা, সংহতি, জন-নিরাপত্তা বা সার্বভৌমত্ব বিপন্ন করার জন্য জনসাধারণের মধ্যে আতংক সৃষ্টি করছে। বর্তমান সরকারকে উচ্ছেদ করার লক্ষ্যে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাদের সঙ্গে এবং উচ্চপদস্থ লোকজন ও ব্যবসায়ী মহলের সঙ্গে গোপনে সভা-সমাবেশ, পরামর্শ করেছে। অন্যান্য আসামির সঙ্গে যোগসাজশ করে শওকত মাহমুদ একটি প্রভাবশালী রাষ্ট্রের পক্ষে বাংলাদেশের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করতে চান। এজন্য তিনি কোন কোন দল বা সংগঠনের সঙ্গে গোপনে শলাপরামর্শ করছেন, সেসব তথ্য উদঘাটনে জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজন।