Search

Search

ঢাকা-৪ আসন

ময়লার ভাগাড়ে বসে ইশতেহার ঘোষণা দিলেন মিজানুর রহমান

ময়লার ভাগাড়ে বসে নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেন ঢাকা–৪ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী মিজানুর রহমান | ছবি: সংগৃহীত
ময়লার ভাগাড়ে বসে নিজের নির্বাচনী ইশতেহার দিয়েছেন ঢাকা–৪ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী মিজানুর রহমান। রাজধানীর অপরিকল্পিত উন্নয়নের শিকার এই এলাকাটি কর্তৃপক্ষের অবহেলায় রয়েছে—এমন দাবি করে প্রতীকী এই পদক্ষেপ নিয়েছেন তিনি।

শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) দুপুরে জুরাইন-দয়াগঞ্জ রাস্তার পাশে মুন্সিবাড়ী মোড়ের ময়লার ভাগাড়ের পাশে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে মিজানুর রহমান তার নির্বাচনী ইশতেহার দেন বলে তার নির্বাচন সমন্বয় দলের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

আসন্ন ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে শ্যামপুর, কদমতলী, যাত্রাবাড়ীর আংশিক এলাকা নিয়ে গঠিত ঢাকা–৪ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন মিজানুর রহমান, যিনি এই এলাকার বিভিন্ন সমস্যা সামনে আনার জন্য আগে থেকেই রয়েছেন আলোচনায়। দূষিত পানি নিয়ে প্রতিবাদ করার পর তার নামের আগে ‘ওয়াসা মিজান’ শব্দটি যোগ হয়েছিল একসময়।

ফুটবল প্রতীকের প্রার্থী মিজানুর রহমানের নির্বাচনী ইশতেহারে মহল্লা সংস্কৃতি ফিরিয়ে এনে গলির ভুক্তভোগী জনগণকে দিয়ে গলি সমাজ গঠনের মাধ্যমে গলির নাগরিক ও সামাজিক সমস্যার সমাধানে তদারকি ও জবাদিহির কাঠামো গড়ে তোলা; সংসদ সদস্যের কাছে পৌঁছানো ও তার জবাবদিহির জন্য ‘এমপি হটলাইন ও ওয়েবসাইট’ চালু; জলাবদ্ধতা নিরসনে ক্রমাগত রাস্তা উঁচু করে মানুষের বাসাবাড়ি দোকানপাটকে বৃষ্টির পানিতে ডোবানোর ‘ভ্রান্ত’ উন্নয়নের বদলে সহজ, টেকসই পদ্ধতি ও সুলভে নিয়মিত ড্রেন পরিষ্কার রাখার ব্যবস্থা করার প্রতিশ্রুতি রয়েছে।

তিন মাসের মধ্যে রাস্তা মেরামতের উদ্যোগ এবং রাস্তা সুরক্ষা চার্টার (ঘোষণাপত্র) প্রকাশের প্রতিশ্রুতিও দিয়েছেন তিনি। ইশতেহারে বলা হয়, জনগণের সম্মতি নিয়ে এই এলাকার জন্য রাস্তা সুরক্ষা চার্টার প্রকাশ ও বাস্তবায়ন করা হবে। সেই চার্টারে এই নিয়ম থাকবে যে এলাকার যেকোনো রাস্তা খোঁড়ার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে গলি সমাজের সঙ্গে সমন্বয় করে ৭ দিনের মধ্যে প্রয়োজনীয় জনবল নিয়ে এসে কাজ শেষ করে রাস্তা যেমন ছিল তেমন করে রেখে যেতে হবে।

এ ছাড়া প্রতিটি মহল্লার জন্য পর্যাপ্তসংখ্যক ওএমএস বা টিসিবির সেবা এবং হয়রানি ও দুর্নীতিমুক্ত এবং জটিলতাহীনভাবে কার্ড ও পণ্য প্রাপ্তিসেবা নিশ্চিত করা; পচনশীল (জৈব বর্জ্য), অপচনশীল (রিসাইকেল করা যায় এমন বর্জ্য) ও বিপজ্জনক বর্জ্য—এই তিন ক্যাটাগরিতে বর্জ্য সংগ্রহ চালু করা; জনগণ ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয়ে করে স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসার খেলার মাঠগুলো এবং ঘোষিত সরকারি স্পর্শকাতর স্থাপনা ছাড়া বাকি সব সরকারি স্থাপনার উন্মুক্ত পরিসরকে বিকেল বেলা ও ছুটির দিনে খেলাধুলা ও অবসর কাটানোর জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়ার প্রতিশ্রুতিও রয়েছে এই ইশতেহারে।

সম্পর্কিত খবর :