ইরানে বিক্ষোভ তুঙ্গে, হাসপাতালে হতাহতের ঢল
জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি ও মূল্যস্ফীতির কারণে বিক্ষোভে উত্তাল হয়ে উঠেছে ইরান। অর্থনৈতিক অসন্তোষ থেকে শুরু হওয়া এ বিক্ষোভ এখন পরিণত হয়েছে সরকারবিরোধী আন্দোলনে। ডাক দেয়া হচ্ছে সরকার পতনের।
আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও বিক্ষোভকারীদের মাঝের সংঘর্ষে ব্যাপক হতাহতের খবর পাওয়া যাচ্ছে। তবে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকে দেশটিতে সম্পূর্ণ ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে। বেশিরভাগ আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা ইরানের ভেতর থেকে রিপোর্ট করতে পারছে না। ফলে ইরানের পুরো পরিস্থিতি সম্পর্কে সত্যতা নিশ্চত করা সম্ভব হয়নি।
তবে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসিতে উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর কিছু তথ্য। ইরানের তিনটি হাসপাতাল কর্মীরা বিবিসিকে জানিয়েছেন, টানা সরকারবিরোধী বিক্ষোভে দেশটির হাসপাতালগুলোতে হতাহতের ঢল নেমেছে। আহত বিক্ষোভকারীদের চাপে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে অনেক হাসপাতাল।
তেহরানের একটি হাসপাতালের চিকিৎসাকর্মীরা বলেন, 'তরুণদের মাথায় সরাসরি গুলি করা হচ্ছে'। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সংঘর্ষে তেহরানে ৩৮ জন নিহত হয়েছে বলেও জানান তিনি।
বিবিসি পার্সিয়ান নিশ্চিত করেছে, শুক্রবার রাতে রাসত শহরের পোরসিনা হাসপাতালে ৭০টি মরদেহ আনা হয়। হাসপাতালের মর্গ পূর্ণ হয়ে যাওয়ায় পরে তা সরিয়ে নেয়া হয়। তবে ইরানের কর্তৃপক্ষ এখনো হতাহতের তথ্য নিশ্চিত করেনি।
এদিকে, সংবাদমাধ্যম রয়টার্স বলছে, তেহরানের কয়েকটি অঞ্চলে এবং অন্যান্য শহর যেমন উত্তরাঞ্চলের রাসাত, উত্তর-পশ্চিমের তাবরিজ, দক্ষিণের শিরাজ ও কেরমানে নতুন করে বিক্ষোভ শুরু হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানিয়েছেন ইরানের জনগণের সাহায্যে প্রস্তুত রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
তিনি বলেন, ' ইরান স্বাধীনতার দিকে আরও এগিয়ে যাচ্ছে। এমনভাবে যা আগে কখনও দেখা যায়নি। যুক্ররাষ্ট্র ইরানের জনগণের সাহায্যের জন্য প্রস্তুত'।
অপরদিকে ইরানের চলমান এ অস্থিরতার পিছনে ইসরায়েল ও সন্ত্রাসী গোষ্ঠীদের হাত আছে বলে অভিযোগ এনেছে দেশটির সেনাবাহিনী। এক বিবৃতিতে সেনাবাহিনী বলছে, ইসরায়েল ও সন্ত্রাসী গোষ্ঠীরা দেশের জনসাধারণের নিরাপত্তা বিনষ্ট করতে চাইছে। তবে তারা দেশের জাতীয় স্বার্থ রক্ষার জন্য প্রস্তুত।
তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদানও একই সুরে কথা বলেছেন। তার দাবি, ইরানের জনগণকে উসকে দিচ্ছে ইসরায়েলি গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদ। তিনি বলেন, 'দীর্ঘ ৩০ বছরেরও বেশি সময় ধরে ইরান অন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞার মধ্যে রয়েছে। এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে মোসাদ সুযোগ নিচ্ছে। তারা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করে ইরানের জনগণগণকে সরকারের বিরুদ্ধে উসকে দিচ্ছে'।
অন্যদিকে, ইরানে বিক্ষোভকারীদের সমর্থনে যুক্তরাষ্ট্রে হোয়াইট হাউজের সামনে প্রতিবাদ করছেন কয়েকশ মানুষ। প্রতিবাদকারীরা প্ল্যাকার্ড ধরে রাখেন এবং ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির বিরুদ্ধে স্লোগান দেন।
আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও বিক্ষোভকারীদের মাঝের সংঘর্ষে ব্যাপক হতাহতের খবর পাওয়া যাচ্ছে। তবে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকে দেশটিতে সম্পূর্ণ ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে। বেশিরভাগ আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা ইরানের ভেতর থেকে রিপোর্ট করতে পারছে না। ফলে ইরানের পুরো পরিস্থিতি সম্পর্কে সত্যতা নিশ্চত করা সম্ভব হয়নি।
তবে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসিতে উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর কিছু তথ্য। ইরানের তিনটি হাসপাতাল কর্মীরা বিবিসিকে জানিয়েছেন, টানা সরকারবিরোধী বিক্ষোভে দেশটির হাসপাতালগুলোতে হতাহতের ঢল নেমেছে। আহত বিক্ষোভকারীদের চাপে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে অনেক হাসপাতাল।
তেহরানের একটি হাসপাতালের চিকিৎসাকর্মীরা বলেন, 'তরুণদের মাথায় সরাসরি গুলি করা হচ্ছে'। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সংঘর্ষে তেহরানে ৩৮ জন নিহত হয়েছে বলেও জানান তিনি।
বিবিসি পার্সিয়ান নিশ্চিত করেছে, শুক্রবার রাতে রাসত শহরের পোরসিনা হাসপাতালে ৭০টি মরদেহ আনা হয়। হাসপাতালের মর্গ পূর্ণ হয়ে যাওয়ায় পরে তা সরিয়ে নেয়া হয়। তবে ইরানের কর্তৃপক্ষ এখনো হতাহতের তথ্য নিশ্চিত করেনি।
এদিকে, সংবাদমাধ্যম রয়টার্স বলছে, তেহরানের কয়েকটি অঞ্চলে এবং অন্যান্য শহর যেমন উত্তরাঞ্চলের রাসাত, উত্তর-পশ্চিমের তাবরিজ, দক্ষিণের শিরাজ ও কেরমানে নতুন করে বিক্ষোভ শুরু হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানিয়েছেন ইরানের জনগণের সাহায্যে প্রস্তুত রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
তিনি বলেন, ' ইরান স্বাধীনতার দিকে আরও এগিয়ে যাচ্ছে। এমনভাবে যা আগে কখনও দেখা যায়নি। যুক্ররাষ্ট্র ইরানের জনগণের সাহায্যের জন্য প্রস্তুত'।
অপরদিকে ইরানের চলমান এ অস্থিরতার পিছনে ইসরায়েল ও সন্ত্রাসী গোষ্ঠীদের হাত আছে বলে অভিযোগ এনেছে দেশটির সেনাবাহিনী। এক বিবৃতিতে সেনাবাহিনী বলছে, ইসরায়েল ও সন্ত্রাসী গোষ্ঠীরা দেশের জনসাধারণের নিরাপত্তা বিনষ্ট করতে চাইছে। তবে তারা দেশের জাতীয় স্বার্থ রক্ষার জন্য প্রস্তুত।
তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদানও একই সুরে কথা বলেছেন। তার দাবি, ইরানের জনগণকে উসকে দিচ্ছে ইসরায়েলি গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদ। তিনি বলেন, 'দীর্ঘ ৩০ বছরেরও বেশি সময় ধরে ইরান অন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞার মধ্যে রয়েছে। এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে মোসাদ সুযোগ নিচ্ছে। তারা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করে ইরানের জনগণগণকে সরকারের বিরুদ্ধে উসকে দিচ্ছে'।
অন্যদিকে, ইরানে বিক্ষোভকারীদের সমর্থনে যুক্তরাষ্ট্রে হোয়াইট হাউজের সামনে প্রতিবাদ করছেন কয়েকশ মানুষ। প্রতিবাদকারীরা প্ল্যাকার্ড ধরে রাখেন এবং ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির বিরুদ্ধে স্লোগান দেন।