Search

Search

এক্সক্লুসিভ ও ব্রেকিং খবর পেতে আপনার মোবাইল নম্বরটি দিন

স্টার পরিবারে আপনাকে স্বাগতম। নিশ্চিন্ত থাকুন, আমরা স্প্যাম করি না।

ইরানে বিক্ষোভ, বিদেশি সমর্থনের বিরুদ্ধে কড়া হুঁশিয়ারি সেনাপ্রধানের

জেনারেল আমির হাতামি | সংগৃহীত
ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভের প্রতি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের প্রকাশ্য সমর্থনের পর কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে দেশটির সামরিক নেতৃত্ব। ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান জেনারেল আমির হাতামি বলেছেন, 'বাইরের কোনো শক্তির হুমকি বা বিদ্বেষমূলক বক্তব্য তেহরান নীরবে সহ্য করবে না'।

বুধবার (৬ জানুয়ারি) ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ত বার্তা সংস্থা ফারস নিউজে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জেনারেল হাতামিকে উদ্ধৃত করে বলা হয়, 'ইরানি জাতির বিরুদ্ধে যেকোনো বিদ্বেষমূলক বক্তব্যকে ইসলামি প্রজাতন্ত্র হুমকি হিসেবে বিবেচনা করে। এ ধরনের বক্তব্য সহ্য করা হবে না এবং এর কঠোর জবাব দেওয়া হবে।'

তিনি আরও সতর্ক করে বলেন, 'শত্রুপক্ষ যদি কোনো ভুল সিদ্ধান্ত নেয়, তাহলে ইরানের প্রতিক্রিয়া গত জুনে ইসরায়েলের সঙ্গে সংঘটিত ১২ দিনের যুদ্ধের সময়কার চেয়েও কঠোর হবে।'

ইরানে সরকারবিরোধী আন্দোলন জোরদার হওয়ার প্রেক্ষাপটে সাম্প্রতিক দিনে একাধিকবার দেশটির শাসকগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার হুমকি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বিক্ষোভে যদি আরও প্রাণহানি ঘটে, তাহলে যুক্তরাষ্ট্র ইরানে হস্তক্ষেপ করতে পারে বলেও সতর্ক করেন তিনি। ট্রাম্পের বক্তব্যের সঙ্গে সুর মিলিয়ে ইরানের চলমান বিক্ষোভের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুও।

এর আগে, গত ২৮ ডিসেম্বর রাজধানী তেহরানে ব্যবসায়ীরা আকাশচুম্বী মূল্যস্ফীতি ও ইরানি মুদ্রা রিয়ালের তীব্র দরপতনের প্রতিবাদে বিক্ষোভ শুরু করেন। পরে এই বিক্ষোভ তেহরান ছাড়িয়ে দেশের আরও কয়েকটি শহরে ছড়িয়ে পড়ে। আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে এখন পর্যন্ত অন্তত ৩৬ জন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

তবে বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান এই আন্দোলন এখনো ২০২২–২০২৩ সালের সরকারবিরোধী গণআন্দোলনের মতো ব্যাপক রূপ নেয়নি। এমনকি বিতর্কিত নির্বাচনের পর ২০০৯ সালে দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়া আন্দোলনের মাত্রাতেও পৌঁছায়নি এই বিক্ষোভ।

সম্পর্কিত খবর :