ভেনেজুয়েলার অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট দেলসি রদ্রিগেজ
ভেনেজুয়েলার অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিয়েছেন দেলসি রদ্রিগেজ। তিনি ২০১৮ সাল থেকে দেশটির ভাইস প্রেসিডেন্টের দায়িত্বে ছিলেন।
মার্কিন সামরিক অভিযানে ক্ষমতাচ্যুত ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলা মাদুরো যুক্তরাষ্ট্রের হেফাজতে থাকাকালে দেলসি রদ্রিগেজ দেশটির অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিলেন।
মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) রাজধানী কারাকাসে জাতীয় সংসদের বিশেষ অধিবেশনে ৫৬ বছর বয়সী রদ্রিগেজ শপথ গ্রহণ করেন। বিবিসি সূত্রে এ খবর পাওয়া গেছে।
শপথ গ্রহণের পর রদ্রিগেজ বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের অভিযানে মাদুরো ও তার স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসকে আটক করা একট “অপহরণ”।’
এদিকে, মাদুরেকে তুলে নেওয়ার পর ভেনেজুয়েলায় প্রথমবারের মতো মন্ত্রিসভার বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন দেশটির ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজ। মার্কিন সামরিক অভিযানের পর সৃষ্ট উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে ৩০ জনের বেশি মন্ত্রী ও প্রতিনিধি অংশ নেন। বৈঠকে ভেনেজুয়েলার সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং বাইরের হস্তক্ষেপের বিরুদ্ধে দেশ ও জনগণকে রক্ষার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করা হয়।
রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বৈঠকে শান্তি ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বৈঠকের কথা বলেন অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট।
অপরদিকে, নিজেকে ভেনেজুয়েলার বৈধ প্রেসিডেন্ট দাবি করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের কাছে আটক দেশটির ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো। নিউইয়র্কের আদালতে নিজেকে নির্দোষ দাবি করেছেন তিনি।
স্থানীয় সময় সোমবার মাদুরো ও তাঁর স্ত্রীর বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানি শুরু হয়ে তা শেষ হয়।
এদিন আদালতকক্ষে প্রবেশের আগে মাদুরোর পায়ে পরানো শিকলের শব্দ শোনা যায়। শুনানির শেষ দিকে দর্শকসারিতে থাকা এক ব্যক্তি স্প্যানিশ ভাষায় চিৎকার করে মাদুরোকে বলেন, তিনি তার কৃতকর্মের ‘মূল্য দিতে বাধ্য হবেন’। এর জবাবে মাদুরো ওই ব্যক্তির দিকে ফিরে স্প্যানিশ ভাষায় বলেন, তিনি একজন ‘অপহৃত প্রেসিডেন্ট’ এবং একজন ‘যুদ্ধবন্দি’।