রাজবাড়ীতে ‘সম্রাট বাহিনীর প্রধান’কে পিটিয়ে হত্যা
রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলায় ‘চাঁদা তুলতে যাওয়া’ এক যুবককে পিটিয়ে হত্যা করেছে স্থানীয়রা। পুলিশের ধারণা, ওই যুবক ‘সম্রাট বাহিনীর’ প্রধান।
বুধবার (২৫ ডিসেম্বর) রাত পৌনে ১১টার দিকে উপজেলার কলিমহর ইউনিয়নের হোসেনডাঙ্গা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
এ সময় দুটি অস্ত্রসহ একজনকে আটক করে পুলিশে দেয় জনতা। নিহত অমৃত মণ্ডল ওরফে সম্রাট (৩০) হোসেনডাঙ্গার অক্ষয় মণ্ডলের ছেলে।
পাংশা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মঈনুল ইসলাম বলেন, সম্রাট নিজেই তার নামে একটি সন্ত্রাসী বাহিনী গড়ে তুলে মানুষকে ভয়ভীতি দেখিয়ে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি করতো। তার নামে হত্যা, চাঁদাবাজিসহ একাধিক মামলা রয়েছে। সম্রাট দীর্ঘদিন ভারতে পালিয়ে থাকার পর সম্প্রতি এলাকায় ফিরে এসে শহীদ শেখ নামে এক ব্যক্তির বাড়িতে চাঁদা দাবি করে। কিন্তু তারা চাঁদার টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানায়। পরে বুধবার রাতে সম্রাট তার সহযোগীদের নিয়ে ওই বাড়িতে চাঁদার টাকা আনতে যায়। এ সময় বাড়ির লোকজন ‘ডাকাত ডাকাত’ বলে চিৎকার দিলে আশপাশের লোকজন এসে সম্রাটকে আটক করে। পরে তাকে পিটিয়ে ঘটনাস্থলেই হত্যা করে।
ওসি মঈনুল আরও বলেন, সম্রাটের সহযোগি সেলিমকে আটক করা হয়েছে। তার কাছ থেকে একটি পিস্তল ও একটি ওয়ান শুটারগান জব্দ করা হয়েছে। এছাড়া সম্রাটের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।