হেলমেট চুরির শাস্তি ঠান্ডা পুকুরে ২০ ডুব!
হেলমেট চুরির অভিযোগে এক যুবককে শীতের রাতে ঠান্ডা পুকুরে ২০টি ডুব দিতে বাধ্য করেছে উৎসুক জনতা। পরবর্তীতে ওই 'চোরকে' শুনকো কাপড় দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) রাতে বরিশালের সদর রোডে এই ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিকযোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। সেখানে দেখা যায়, চুরির অভিযোগে আটক এক ব্যক্তিকে ২০-৩০ জনের একটি দল ধরে নিয়ে পুকুরে নামিয়ে দেয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কিছুদিন ধরে বরিশালের বিভিন্ন সড়কে থামিয়ে রাখা মোটরসাইকেল থেকে হেলমেট চুরি বেড়ে গিয়েছিল। এরইমধ্যে মঙ্গলবার রাতে বিবির পুকুর পাড়ে থামিয়ে রাখা একটি মোটরসাইকেল থেকে হেলমেট চুরি করছিল এক যুবক। ঘটনা দেখে ফেলায় মোটরসাইকেল চালক ওই ব্যক্তিকে ধরে ফেলেন। সেখানে জড়ো হন আরও অনেকে।
প্রত্যক্ষদর্শী শাকিল জানান, মোটরসাইকেল থেকে হেলমেট নিয়ে যাওয়ার সময়ে ইউসুফ নামে ওই চোরকে ধরে ফেলা হয়। ওই ব্যক্তি সাগরদি এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকেন। তার মূল বাড়ি উজিরপুর উপজেলার মশাং গ্রামে বলে জানিয়েছেন। হেলমেট চোরকে ধরার পরপরই সব স্বীকার করেন এবং শাস্তি হিসেবে পুকুরে ডুব দেওয়ার কথা বলা হয়।
তিনি বলেন, 'বিষয়টি উপস্থিত সকলের কাছে মজাদার ও সঠিক মনে হওয়ায় চোরের মেনে নেওয়া শাস্তি অনুসারে বিবির পুকুরে ২০ বার কান ধরে ডুব দেওয়ানো হয়'।
আরেক প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, 'চোরকে কেউ মারধর করেনি। শীতের রাতে পুকুরে ডুব দেওয়ার শাস্তি দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। শাস্তি শেষে তাকে শুকনো কাপড়ও কিনে দেওয়া হয়েছে'।
এ বিষয়ে বরিশাল কোতয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মামুন উল ইসলাম বলেন, 'এমন একটি ঘটনা শুনেছি। তবে কেউ থানায় জানায়নি'।
মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) রাতে বরিশালের সদর রোডে এই ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিকযোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। সেখানে দেখা যায়, চুরির অভিযোগে আটক এক ব্যক্তিকে ২০-৩০ জনের একটি দল ধরে নিয়ে পুকুরে নামিয়ে দেয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কিছুদিন ধরে বরিশালের বিভিন্ন সড়কে থামিয়ে রাখা মোটরসাইকেল থেকে হেলমেট চুরি বেড়ে গিয়েছিল। এরইমধ্যে মঙ্গলবার রাতে বিবির পুকুর পাড়ে থামিয়ে রাখা একটি মোটরসাইকেল থেকে হেলমেট চুরি করছিল এক যুবক। ঘটনা দেখে ফেলায় মোটরসাইকেল চালক ওই ব্যক্তিকে ধরে ফেলেন। সেখানে জড়ো হন আরও অনেকে।
প্রত্যক্ষদর্শী শাকিল জানান, মোটরসাইকেল থেকে হেলমেট নিয়ে যাওয়ার সময়ে ইউসুফ নামে ওই চোরকে ধরে ফেলা হয়। ওই ব্যক্তি সাগরদি এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকেন। তার মূল বাড়ি উজিরপুর উপজেলার মশাং গ্রামে বলে জানিয়েছেন। হেলমেট চোরকে ধরার পরপরই সব স্বীকার করেন এবং শাস্তি হিসেবে পুকুরে ডুব দেওয়ার কথা বলা হয়।
তিনি বলেন, 'বিষয়টি উপস্থিত সকলের কাছে মজাদার ও সঠিক মনে হওয়ায় চোরের মেনে নেওয়া শাস্তি অনুসারে বিবির পুকুরে ২০ বার কান ধরে ডুব দেওয়ানো হয়'।
আরেক প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, 'চোরকে কেউ মারধর করেনি। শীতের রাতে পুকুরে ডুব দেওয়ার শাস্তি দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। শাস্তি শেষে তাকে শুকনো কাপড়ও কিনে দেওয়া হয়েছে'।
এ বিষয়ে বরিশাল কোতয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মামুন উল ইসলাম বলেন, 'এমন একটি ঘটনা শুনেছি। তবে কেউ থানায় জানায়নি'।