শিক্ষার্থীর আত্মহত্যায় প্ররোচনাকারীদের বিচার দাবি ববি উপাচার্যের
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা প্ররোচনার বিচারের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। এতে যোগ দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ তৌফিক আলম।
মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) দুপুরে ক্যাম্পাসের মূল ফটকের সামনে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।
মানববন্ধন শেষে ক্যাম্পাসে তারা সংবাদ সম্মেলন করে আত্মহত্যায় প্ররোচনায় জড়িতদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় এনে বিচারের দাবি করেন।
উপাচার্য তৌফিক আলম বলেন, ‘বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী শুভ বৈরাগী খুবই ভালো ছাত্র ছিলেন। কিছুদিনের মধ্যে তার ফলাফল প্রকাশিত হতো। এরকম একটা তরতাজা ছেলে আত্মহননের পথ বেছে নিলো এজন্য আমি খুবই মর্মাহত। আত্মহত্যা প্ররোচনার ঘটনার একটি সুষ্ঠু বিচার হওয়া দরকার। যারা তাকে এই পথে এগিয়ে দিলো তাদের বিচার হওয়া দরকার।’
তিনি আরও বলেন, ‘আত্মহত্যা প্ররোচনার ঘটনার বিচারের দাবিতে আমিও মানববন্ধনে দাঁড়িয়েছি। আমি মনে করি বিচারটি দ্রুত হওয়া উচিত।’
আত্মহত্যাকারী শুভ বৈরাগী বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের দশম ব্যাচের শিক্ষার্থী। তিনি গোপালগঞ্জের গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার বৌলতলী গ্রামের বাসিন্দা। তিনি সুখলাল বৈরাগী ও শেফালী বৈরাগী দম্পতির সন্তান। বাবা–মা দুজনই আগেই মারা যাওয়ায় তিনি বোন ও ভগ্নিপতির সঙ্গে বসবাস করতেন।
সহপাঠী মৃত্যুঞ্জয় রয় বলেন, ‘মৃত্যুর আগে শুভ বৈরাগী একটা স্ট্যাটাস দিয়েছিল। সেখানে সে পুরো ঘটনার বিবরণ দেয়। শুভর সঙ্গে কোটালীপাড়ার এক মেয়ের প্রেমের সর্ম্পক ছিল। ১ জানুয়ারি ওই মেয়ের জন্মদিন ছিল। রাতে প্রেমিকাকে জন্মদিন উপলক্ষ্যে দেখা করতে গেলে তার পরিবারের লোকজন তাকে ধরে মারধর করেন। মাথার চুল কেটে দেন এবং মোবাইলে স্বীকারোক্তি দিতে বাধ্য করেন।’
আরেক সহপাঠি বলেন, ‘শুভকে পরিকল্পিতভাবে আত্মহত্যার দিকে ঠেলে দেয়া হয়েছে। আমরা এ ঘটনার বিচার চাই।’