চাঁদ ও মঙ্গলে মানুষের অভিযানের প্রস্তুতি, তৈরি হচ্ছে নতুন প্রযুক্তি
মানুষকে চাঁদ ও মঙ্গলে পাঠানোর জন্য নতুন পরিকল্পনা শুরু করেছে নাসা। আগের মহাকাশ অভিযান থেকে পাওয়া তথ্য এবং রোবট অভিযানগুলো ব্যবহার করে চাঁদে স্থায়ী বেস গড়ার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে তারা।
বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন, চাঁদের পানির উৎস চিহ্নিত করা, মহাকাশচারীদের ক্ষতিকারক বিকিরণ থেকে রক্ষা করা এবং ঘর্ষণকারী ধূলিকণার সমস্যা মোকাবিলা করাই এ অভিযানের প্রধান চ্যালেঞ্জ। নতুন অভিযানগুলো এই সমস্যাগুলো সমাধানে সাহায্য করবে।
নাসার নতুন পরিকল্পনার অংশ হিসেবে, ২০২৮ সালের মধ্যে চাঁদে মহাকাশচারী পাঠানো এবং ২০৩০ সালের মধ্যে চাঁদে স্থায়ী বেসের প্রাথমিক অংশ গড়ে তোলা হবে। এই উদ্যোগের নেতৃত্ব দিচ্ছেন নতুন নাসা প্রশাসক জ্যারেড আইজ্যাকম্যান।
যুক্তরাষ্ট্রের জিওফিজিক্যাল ইউনিয়নের (এজিইউ) ব্রিফিংয়ে বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, তারা মঙ্গল এবং চাঁদে মানুষের অভিযানের প্রস্তুতি সমর্থন করতে পৃথিবীর জন্য তৈরি করা যন্ত্র ও তথ্যভাণ্ডারকে অভিযোজিত করছেন।
নাসা’র গোডার্ড স্পেস ফ্লাইট সেন্টারের সোলার সিস্টেম এক্সপ্লোরেশন বিভাগের কার্যনির্বাহী পরিচালক জিনা ডি-ব্রাসিও বলেন, ‘এটি সত্যিই প্রথম ধাপগুলোর মধ্যে একটি, যা মহাকাশচারীদের মঙ্গলের পৃষ্ঠ থেকে মহাকাশ আবহাওয়া বুঝতে এবং মূল্যায়ন করতে সাহায্য করবে।’