বনশ্রীতে স্কুলছাত্রী হত্যা মামলার আসামি মিলন গ্রেপ্তার
ঢাকার দক্ষিণ বনশ্রীর একটি বাসা থেকে ফাতেমা আক্তার নামের এক স্কুলছাত্রীর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় একজনকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। তিনি হত্যার ঘটনায় সন্দেহভাজন রেস্তোরাঁ কর্মী মিলন মল্লিক।
সোমবার (১২ জানুয়ারি) সকালে র্যাব এক খুদে বার্তায় এ তথ্য জানিয়েছে। সোমবার সকালে তাকে বাগেরহাট থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মিলন নিহত ফাতেমার বাবার হোটেলের কর্মচারী ছিলেন। এর আগে হত্যার ঘটনায় একজনকে শনাক্ত করে পুলিশ।
পুলিশের একটি সূত্র জানায়, এ হত্যার ঘটনায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে শনিবার রাতে একটি মামলা হয়েছে।
সিসি ক্যামেরার ফুটেজে ওই বাসায় তাদের রেস্তোরাঁর কর্মী মিলনকে ঢুকতে দেখা গেছে।
তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্রের প্রাথমিক ধারণা, ফাঁকা বাসায় লুটপাট করতে গিয়েছিল দুর্বৃত্তরা। মেয়েটি বাধা দিলে ধস্তাধস্তি হয়। একপর্যায়ে তাকে গলা কেটে হত্যা করা হয়।
পুলিশের খিলগাঁও অঞ্চলের অতিরিক্ত উপকমিশনার কায়েস ইকবাল গণমাধ্যমকে বলেন, ‘এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।’
শনিবার বিকেলে দক্ষিণ বনশ্রীর এল ব্লকের ‘প্রীতম ভিলা’ থেকে এ মরদেহ উদ্ধার করা হয়। জাতীয় জরুরি সেবা নম্বরে (৯৯৯) খবর পেয়ে মরদেহ উদ্ধার করা হয় বলে জানিয়েছিলেন খিলগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম।
খিলগাঁও থানা-পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ফাতেমা আক্তার (১৭) বনশ্রীর রেডিয়েন্ট স্কুল অ্যান্ড কলেজের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী। মা-বাবা, ভাই ও বোনের সঙ্গে ওই বাসায় থাকত সে। তাদের গ্রামের বাড়ি হবিগঞ্জের লাখাইয়ে। তার বাবা সজীব মিয়া বনশ্রীতে একটি রেস্তোরাঁ চালান। দুই দিন আগে তার মা-বাবা ও ভাই হবিগঞ্জে গ্রামের বাড়িতে যান। ঢাকায় সে ও তার বোন ছিল। বিকেলে ফাতেমার বোন জিমে যান। ফিরে এসে ফাতেমার গলাকাটা মরদেহ দেখতে পান। এ সময় বাসায় কেউ ছিল না।