গ্লোবাল ইনভেস্টিগেটিভ জার্নালিজমের সেরা তালিকায় 'গুমচর'
২০২৫ সালে বাংলাদেশে হওয়া সেরা অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের তালিকা প্রকাশ করেছে গ্লোবাল ইনভেস্টিগেটিভ জার্নালিজম। তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে স্টার নিউজের 'গুমচর'। প্রতিবেদনটি করেছেন স্টার নিউজের চিফ রিপোর্টার মনিরুল ইসলাম। ক্যামেরায় ছিলেন কাজী জুয়েল ও সম্পাদনা মেহেদী হাসানের।
অনুসন্ধানী সাংবাদিকদের এই গ্লোবাল নেটওয়ার্ক বলছে, বাংলাদেশে গণঅভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকে অন্তবর্তী সরকার দেশ পরিচালনার দায়িত্বে আছে। তবে এই সরকারের শাসনামলেও বাংলাদেশে সাংবাদিকদের ওপর হামলা, মামলা বা নির্যাতন থেমে নেই। এই সময়ে অন্তত দুজন সাংবাদিক নিহত ও ২৯৭ জন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে হত্যা, হত্যাচেষ্টা, ষড়যন্ত্র, ও সন্ত্রাসবিরোধীসহ বিভিন্ন ধারায় মামলা হয়েছে। অন্তত দুই ডজন সাংবাদিককে জেলে যেতে হয়েছে। এখনও ৫ জন সাংবাদিক জেলে আছেন।
২০২৫ সালের শেষ মাসে এক ন্যক্কারজনক হামলায় বাংলাদেশের সবচেয়ে প্রভাবশালী দুটি গণমাধ্যম—প্রথম আলো ও ডেইলি স্টারের প্রধান কার্যালয়ে ভাঙচুর চালানো হয় এবং সেখানে অগ্নিসংযোগ করা হয়। ক্ষয়ক্ষতির ফলে ১৯ ডিসেম্বর এই দুটি পত্রিকা প্রকাশ করা সম্ভব হয়নি। এই ঘটনা পত্রিকা দুটির ইতিহাসে প্রথমবারের মতো দৈনিক সংস্করণ প্রকাশে ব্যর্থ হওয়ার নজির সৃষ্টি করে।
বেসরকারি টেলিভিশন স্টার নিউজ অনুসন্ধানী প্রতিবেদন 'গুমচরে' উঠে এসেছে বাংলাদেশে গুম হওয়া বা নিখোঁজ মানুষের ভাগ্যে কী ঘটেছে? চ্যানেলটি তাদের এই অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে বলছে, গুম হওয়ার পর যারা নিখোঁজ রয়েছেন তাদের অনেককেই হত্যা করা হয়েছে এবং নাম-নিশানা বা শনাক্তকরণ এড়াতে তাদের মৃতদেহ বঙ্গোপসাগরে ফেলে দেওয়া হয়েছে।
স্টার নিউজের অনুসন্ধানে প্রত্যক্ষদর্শী, ট্রলার চালক, বেঁচে ফিরে আসা কয়েকজনের বক্তব্য রয়েছে। তাছাড়া গুমের সঙ্গে জড়িত এলিট ফোর্স র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র্যাব) সোর্সরাও কথা বলেছেন। এই সূত্রগুলো কিছু কর্মকর্তার নাম প্রকাশ করেছে যারা হত্যার পর মৃত্যদেহগুলো ফেলার সঙ্গে জড়িত ছিল। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, একবারে এক থেকে নয়জন মানুষকে হত্যা করা হতো এবং এই এলাকায় প্রায় ২০০ লাশ গুম করা হয়েছে। গেল এক মাসে ইউটিউবে 'গুমচর' প্রতিবেদনটি প্রায় ৪ মিলিয়নের কাছাকাছি মানুষ দেখছেন।
অনুসন্ধানী সাংবাদিকদের এই গ্লোবাল নেটওয়ার্ক বলছে, বাংলাদেশে গণঅভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকে অন্তবর্তী সরকার দেশ পরিচালনার দায়িত্বে আছে। তবে এই সরকারের শাসনামলেও বাংলাদেশে সাংবাদিকদের ওপর হামলা, মামলা বা নির্যাতন থেমে নেই। এই সময়ে অন্তত দুজন সাংবাদিক নিহত ও ২৯৭ জন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে হত্যা, হত্যাচেষ্টা, ষড়যন্ত্র, ও সন্ত্রাসবিরোধীসহ বিভিন্ন ধারায় মামলা হয়েছে। অন্তত দুই ডজন সাংবাদিককে জেলে যেতে হয়েছে। এখনও ৫ জন সাংবাদিক জেলে আছেন।
২০২৫ সালের শেষ মাসে এক ন্যক্কারজনক হামলায় বাংলাদেশের সবচেয়ে প্রভাবশালী দুটি গণমাধ্যম—প্রথম আলো ও ডেইলি স্টারের প্রধান কার্যালয়ে ভাঙচুর চালানো হয় এবং সেখানে অগ্নিসংযোগ করা হয়। ক্ষয়ক্ষতির ফলে ১৯ ডিসেম্বর এই দুটি পত্রিকা প্রকাশ করা সম্ভব হয়নি। এই ঘটনা পত্রিকা দুটির ইতিহাসে প্রথমবারের মতো দৈনিক সংস্করণ প্রকাশে ব্যর্থ হওয়ার নজির সৃষ্টি করে।
বেসরকারি টেলিভিশন স্টার নিউজ অনুসন্ধানী প্রতিবেদন 'গুমচরে' উঠে এসেছে বাংলাদেশে গুম হওয়া বা নিখোঁজ মানুষের ভাগ্যে কী ঘটেছে? চ্যানেলটি তাদের এই অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে বলছে, গুম হওয়ার পর যারা নিখোঁজ রয়েছেন তাদের অনেককেই হত্যা করা হয়েছে এবং নাম-নিশানা বা শনাক্তকরণ এড়াতে তাদের মৃতদেহ বঙ্গোপসাগরে ফেলে দেওয়া হয়েছে।
স্টার নিউজের অনুসন্ধানে প্রত্যক্ষদর্শী, ট্রলার চালক, বেঁচে ফিরে আসা কয়েকজনের বক্তব্য রয়েছে। তাছাড়া গুমের সঙ্গে জড়িত এলিট ফোর্স র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র্যাব) সোর্সরাও কথা বলেছেন। এই সূত্রগুলো কিছু কর্মকর্তার নাম প্রকাশ করেছে যারা হত্যার পর মৃত্যদেহগুলো ফেলার সঙ্গে জড়িত ছিল। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, একবারে এক থেকে নয়জন মানুষকে হত্যা করা হতো এবং এই এলাকায় প্রায় ২০০ লাশ গুম করা হয়েছে। গেল এক মাসে ইউটিউবে 'গুমচর' প্রতিবেদনটি প্রায় ৪ মিলিয়নের কাছাকাছি মানুষ দেখছেন।