Search

Search

এক্সক্লুসিভ ও ব্রেকিং খবর পেতে আপনার মোবাইল নম্বরটি দিন

স্টার পরিবারে আপনাকে স্বাগতম। নিশ্চিন্ত থাকুন, আমরা স্প্যাম করি না।

বাংলাদেশি শিক্ষার্থী ভর্তি ও সহযোগিতা বাড়াতে চায় ইউনিভার্সিটি অব পোর্টসমাউথ

ইউনিভার্সিটি অব পোর্টসমাউথের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর গ্রাহাম গ্যালব্রেইথ ও হাইকমিশনার আবিদা ইসলাম | স্টার নিউজ

বাংলাদেশি শিক্ষার্থী ভর্তির ব্যাপারে আরও আগ্রহ প্রকাশ করেছে যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অব পোর্টসমাউথ। এছাড়া এদেশের সঙ্গে অ্যাকাডেমিক ও প্রশিক্ষণমূলক সহযোগিতা বাড়াতে চায় বিশ্ববিদ্যায়টি।

সোমবার (১২ জানুয়ারি) বাংলাদেশের হাইকমিশনার আবিদা ইসলামের পোর্টসমাউথ শহর সফরের সময় এ আগ্রহ প্রকাশ করা হয়।

সফরকালে হাইকমিশনার ইউনিভার্সিটি অব পোর্টসমাউথের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর গ্রাহাম গ্যালব্রেইথ, ডেপুটি ভাইস-চ্যান্সেলর (গ্লোবাল এনগেজমেন্ট অ্যান্ড স্টুডেন্ট লাইফ) মি. ক্রিস চ্যাং এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য জ্যেষ্ঠ নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠকে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য ট্রান্সন্যাশনাল এডুকেশন সুযোগ বৃদ্ধি এবং ইউনিভার্সিটি অব পোর্টসমাউথ ও বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতা জোরদারের বিষয়ে আলোচনা হয়।

এসময় বিশ্ববিদ্যালয়টি বাংলাদেশের জন্য 'ব্লু' গভর্ন্যান্স বিষয়ে গবেষণা, উন্নয়ন ও জ্ঞান বিনিময় সহজতর করতে একটি 'ব্লু বাংলাদেশ চেয়ার' প্রতিষ্ঠার বিষয়টি বিবেচনার জন্য বাংলাদেশ সরকারকে অনুরোধ জানায়। জবাবে হাইকমিশনার জানান, প্রস্তাবটি ২০২৪ সালের নভেম্বর মাসে বাংলাদেশ সরকারের কাছে উপস্থাপন করা হয়েছে এবং বর্তমানে তা পর্যালোচনাধীন রয়েছে।

হাইকমিশনার বলেন, 'উভয় পক্ষ অন্যান্য সহযোগিতার ক্ষেত্র অনুসন্ধান অব্যাহত রাখতে পারে। সম্ভাব্য সহযোগিতার মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সঙ্গে যৌথ একাডেমিক কার্যক্রম, পাশাপাশি সরকারি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ও অ্যাকাডেমিগুলোর সঙ্গে বিশেষায়িত কোর্স পরিচালনা, যা সরকারি কর্মকর্তাদের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে'।

এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেপুটি ভাইস-চ্যান্সেলর ক্রিস চ্যাং জানান, ইউনিভার্সিটি অব পোর্টসমাউথ বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের সবসময় স্বাগত জানায় এবং শিক্ষার্থীদের জন্য পোর্টসমাউথ ইউনিভার্সিটিতে অনেক সুযোগ রয়েছে। 'তিনি বলেন, 'আমরা একটি পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়। ব্যবসা, মানবিক শাখা, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি এবং প্রকৌশল বিষয়ে আমাদের বিস্তৃত কোর্স রয়েছে, ফলে শিক্ষার্থীদের জন্য পছন্দের সুযোগ অনেক।'

আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের আর্থিক ও প্রশাসনিক চ্যালেঞ্জের বিষয়টি উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, 'আমরা বুঝি যে পড়াশোনার খরচ অনেক সময় ব্যয়বহুল হয়ে ওঠে, এবং সে কারণে শিক্ষার্থীদের সহায়তার জন্য আমাদের বৃত্তির ব্যবস্থা রয়েছে। ভিসা ও অভিবাসন সংক্রান্ত কিছু চ্যালেঞ্জ থাকলেও, সঠিক উদ্দেশ্য ও উপযুক্ত যোগ্যতা নিয়ে এলে অভিবাসন কোনো সমস্যা হওয়ার কথা নয়। আমরা সর্বোচ্চ সহায়তা ও সমর্থন দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।'

এছাড়া হাইকমিশনার ইউনিভার্সিটি অব পোর্টসমাউথে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও কূটনীতি বিষয়ে বক্তব্য রাখেন। বক্তব্যে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কীভাবে কূটনীতির চর্চা ও বিষয়বস্তুকে প্রভাবিত করছে, সে বিষয়ে আলোকপাত করা হয়।


অনুষ্ঠানের শেষে প্রশ্নোত্তর পর্ব রাখা হয়। পোর্টসমাউথ ইউনিভার্সিটির শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা এই প্রশ্নোত্তর পর্বে অংশ নেন।

সম্পর্কিত খবর :