সংঘর্ষে জামায়াত নেতা নিহত
শেরপুরের ঝিনাইগাতীর ইউএনও ও ওসি প্রত্যাহার
শেরপুরে সংঘর্ষে জামায়াতে ইসলামীর এক নেতা নিহতের ঘটনায় ঝিনাইগাতী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আশরাফুল আলম এবং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল হাসানকে প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) নির্বাচন কমিশন ভবনে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।
সিনিয়র সচিব বলেন, ‘শেরপুরে ঘটে যাওয়া ঘটনাটি অত্যন্ত নিন্দনীয়। নির্বাচনী আচরণবিধিতে সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে ইশতেহার পাঠ ও প্রচারের কথা বলা হলেও সেখানে দুর্ভাগ্যজনকভাবে এর ব্যত্যয় ঘটেছে। রিটার্নিং কর্মকর্তা ও অ্যাডজুডিকেশন কমিটির কাছ থেকে এ ঘটনার বিষয়ে প্রতিবেদন চাওয়া হয়েছে। প্রতিবেদন পাওয়ার পর কমিশন পরবর্তী ব্যবস্থা নেবে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে প্রশাসনিক দায়িত্ব পালনে ব্যর্থতার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে ইউএনও ও ওসিকে প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত হয়েছে।’
পরে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে ঝিনাইগাতির ইউএনও আশরাফুল আলমকে প্রত্যাহার করে মন্ত্রণালয়ের বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) করার কথা জানানো হয়েছে। তাকে আজকের (২৯ জানুয়ারি) মধ্যে ঝিনাইগাতির দায়িত্ব থেকে সরে আসতে হবে। না হলে আগামীকাল তিনি তাৎক্ষণিক অবমুক্ত হিসেবে বিবেচিত হবেন বলে জানানো হয়েছে।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) বিকেলে শেরপুর–৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা–কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। ঝিনাইগাতী উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত নির্বাচনী ইশতেহার পাঠ অনুষ্ঠানে চেয়ারে বসা নিয়ে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। এতে শ্রীবরদী উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা রেজাউল করিম নিহত হন। তিনি ফতেহপুর ফাজিল মাদ্রাসার প্রভাষক ছিলেন।