আবারও পিছিয়ে গেল নাসার চন্দ্রাভিযান
অর্ধশতাব্দীরও বেশি সময় পর আবারও চাঁদের পথে পাঠানো হবে নভোচারী। চার নভোচারীকে নিয়ে চাঁদের চারপাশে ঘুরে পৃথিবীতে ফেরার পরিকল্পনা এবারের যাত্রায়। যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ সংস্থা নাসার আর্টেমিস কর্মসূচির দ্বিতীয় মিশন আর্টেমিস–২ এর সহযাত্রীর মধ্যে রয়েছেন তিন মার্কিন নভোচারী—রিড উইসম্যান, ভিক্টর গ্লোভার ও ক্রিস্টিনা কখ। সঙ্গে রয়েছেন কানাডার নভোচারী জেরেমি হ্যানসেন। প্রায় ১০ দিনের যাত্রায় চাঁদের কক্ষপথে পরিভ্রমণ করবেন নভোচারীরা।
তবে ফেব্রুয়ারিতে উৎক্ষেপণের পরিকল্পনা থাকলেও তা পিছিয়ে গেছে। উৎক্ষেপণের আগে করা ‘ওয়েট ড্রেস রিহার্সাল’ অর্থাৎ সম্পূর্ণ জ্বালানি ভরে কাউন্টডাউন মহড়ার সময় রকেটের জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায় লিকুইড হাইড্রোজেন লিক ধরা পড়ে।
নাসা জানায়, রকেটের ক্রায়োজেনিক জ্বালানি পাঠানোর একটি সংযোগস্থলে এই লিক শনাক্ত হয়। ফলে সেই সমস্যা সমাধানের জন্য মার্চে পেছানো হয়েছে উৎক্ষেপণের সময়। তবে ফেব্রুয়ারি থেকে এপ্রিল পর্যন্ত একাধিক লঞ্চ উইন্ডো খোলা রেখেছে নাসা।
এ নিয়ে নাসার সহকারী প্রশাসক অমিত ক্ষত্রিয় বলেন, আমরা যে ওয়েট ড্রেস রিহার্সাল করেছি সেটি আর্টেমিস-২ এর জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইল ফলক। এর মাধ্যমে আমাদের টিম পুরো সিস্টেম পূর্ণভাবে পরীক্ষা করার সুযোগ পেয়েছে। আমরা যা দেখেছি তার ভিত্তিতে এটি স্পষ্ট যে, আর্টেমিস-২ উৎক্ষেপণের জন্য আমরা মার্চের আগে কোনো সময় নির্ধারণ করছি না। নভোচারীদেরও কোয়ারেন্টাইন থেকে মুক্ত করে দেয়া হয়েছে।
২০২২ সালে আর্টেমিস কর্মসূচির প্রথম ধাপে মানববিহীন ফ্লাইট সফলভাবে সম্পন্ন হয়। এবার আর্টেমিস–টু কর্মসূচিতে প্রথমবারের মতো মানববাহী মিশন পাঠানো হবে চাঁদের পথে। এটিকে ভবিষ্যতের চাঁদে অবতরণের প্রস্তুতি হিসেবে দেখা হচ্ছে।
নাসার লক্ষ্য, ২০২৮ সালে আর্টেমিস–থ্রি মিশনের মাধ্যমে আবারও চাঁদে মানুষের পা ফেলা। সেই অভিযানে স্পেসএক্সের স্টারশিপ চাঁদের ল্যান্ডার হিসেবে ব্যবহৃত হওয়ার কথা রয়েছে। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে, আর্টেমিস–টু মিশনের মাধ্যমেই নতুন প্রজন্মের চন্দ্র অভিযানের সূচনা হবে, যা আবারও মানুষকে নিয়ে যাবে গভীর মহাকাশের পথে।
তবে ফেব্রুয়ারিতে উৎক্ষেপণের পরিকল্পনা থাকলেও তা পিছিয়ে গেছে। উৎক্ষেপণের আগে করা ‘ওয়েট ড্রেস রিহার্সাল’ অর্থাৎ সম্পূর্ণ জ্বালানি ভরে কাউন্টডাউন মহড়ার সময় রকেটের জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায় লিকুইড হাইড্রোজেন লিক ধরা পড়ে।
নাসা জানায়, রকেটের ক্রায়োজেনিক জ্বালানি পাঠানোর একটি সংযোগস্থলে এই লিক শনাক্ত হয়। ফলে সেই সমস্যা সমাধানের জন্য মার্চে পেছানো হয়েছে উৎক্ষেপণের সময়। তবে ফেব্রুয়ারি থেকে এপ্রিল পর্যন্ত একাধিক লঞ্চ উইন্ডো খোলা রেখেছে নাসা।
এ নিয়ে নাসার সহকারী প্রশাসক অমিত ক্ষত্রিয় বলেন, আমরা যে ওয়েট ড্রেস রিহার্সাল করেছি সেটি আর্টেমিস-২ এর জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইল ফলক। এর মাধ্যমে আমাদের টিম পুরো সিস্টেম পূর্ণভাবে পরীক্ষা করার সুযোগ পেয়েছে। আমরা যা দেখেছি তার ভিত্তিতে এটি স্পষ্ট যে, আর্টেমিস-২ উৎক্ষেপণের জন্য আমরা মার্চের আগে কোনো সময় নির্ধারণ করছি না। নভোচারীদেরও কোয়ারেন্টাইন থেকে মুক্ত করে দেয়া হয়েছে।
২০২২ সালে আর্টেমিস কর্মসূচির প্রথম ধাপে মানববিহীন ফ্লাইট সফলভাবে সম্পন্ন হয়। এবার আর্টেমিস–টু কর্মসূচিতে প্রথমবারের মতো মানববাহী মিশন পাঠানো হবে চাঁদের পথে। এটিকে ভবিষ্যতের চাঁদে অবতরণের প্রস্তুতি হিসেবে দেখা হচ্ছে।
নাসার লক্ষ্য, ২০২৮ সালে আর্টেমিস–থ্রি মিশনের মাধ্যমে আবারও চাঁদে মানুষের পা ফেলা। সেই অভিযানে স্পেসএক্সের স্টারশিপ চাঁদের ল্যান্ডার হিসেবে ব্যবহৃত হওয়ার কথা রয়েছে। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে, আর্টেমিস–টু মিশনের মাধ্যমেই নতুন প্রজন্মের চন্দ্র অভিযানের সূচনা হবে, যা আবারও মানুষকে নিয়ে যাবে গভীর মহাকাশের পথে।