কুষ্টিয়ায় জামায়াত-বিএনপি সংঘর্ষ, আহত ১১
কুষ্টিয়া-১ (দৌলতপুর) আসনে নির্বাচনী প্রচারণাকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াতের দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১১ জন আহত হয়েছেন। আহতদের দৌলতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এদের মধ্যে তিনজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।
বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার খলিশাকুন্ডি ইউনিয়নের পিপুলবাড়িয়া বাজারে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানা গেছে, জামায়াত মনোনীত প্রার্থী মাওলানা বেলাল উদ্দিন তার নেতাকর্মীদের নিয়ে নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নিতে পিপুলবাড়িয়া বাজারে গেলে বিএনপি সমর্থক মো. হামিদ মোল্লার নেতৃত্বে ১০-১৫ জনের একটি দল তাদের ওপর হামলা চালায়। পরে জামায়াতের লোকজন পাল্টা হামলা চালায়। এতে দুই পক্ষের অন্তত ১১ জন আহত হয়েছেন।
এদের মধ্যে আহত বিএনপি কর্মীরা হলেন- লিটন (৩৫), তবিবুর রহমান (৫০) ও বিপ্লব হোসেন (৩২)।
আহত জামায়াত কর্মীরা হলেন- শরিফুল ইসলাম (৩২), আমিরুল ইসলাম (৫০), হাসান (২৮), শফিউল ইসলাম (৫৫), সাকিল (২৫), ইব্রাহিম (৫২), বিপুল (৩০) ও ইমন (২৮)।
ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা দেখা দিলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকলেও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নজরদারিতে রাখা হয়েছে।
দৌলতপুর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক বেল্লাল হোসেনের দাবি, প্রচারণার সময় জামায়াত সমর্থকরা তাদের কর্মীদের ওপর অতর্কিত হামলা চালিয়েছে। এতে কয়েকজন কর্মী আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
অন্যদিকে, দৌলতপুর জামায়াতের সাধারণ সম্পাদক বুলবুল বলেন, জামায়াত মনোনীত প্রার্থী মাওলানা বেলাল উদ্দিন নির্বাচনী প্রচারণায় গেলে বিএনপি সমর্থকরা হামলা চালিয়ে আমাদের কর্মীদের আহত করে। এর আগেও তারা এ ধরনের ঘটনা ঘটিয়েছে। আমরা এর সুষ্ঠু বিচার চাই।
দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুর রহমান বলেন, সংঘর্ষের ঘটনায় কয়েকজন আহত হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে এবং এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষ লিখিত অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।